২৪ ঘণ্টায় ২০০৩ জন, কেন বেড়ে গেল করোনায় মৃতের সংখ্যা

করোনা সংক্রমণে দেখে উদ্বেগ বাড়িয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছুঁইছুঁই। সংক্রমণে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১১৯০৩। আরও উদ্বেগ বাড়িয়ে গত ২৪ ঘণ্টাতেই মৃতের সংখ্যা ২০০৩। কিন্তু এক দিনে ২০০৩ জনের মৃত্যুর রিপোর্ট করা হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন মাত্র ৩৩১ জন। বাকি ১৬৭২ জনের মৃত্যুর ঘটনাগুলি ঘটেছে গত মার্চ আর এপ্রিলে।

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে যে রিপোর্ট পেশ করা হয় তাতে দেখা গিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করে ১০ হাজার ৯৭৪ জন করোনা সংক্রমিত হওয়ার পাশাপাশি প্রাণ হারিয়েছেন ২০০৩ জন। আর এর পরেই করোনাই দেশে মোট প্রাণ হারানোর সংখ্যা ১০ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছে গেল ১১৯০৩-এ।

অর্থাৎ কোনও কারণে এই মৃত্যুগুলো সঠিক সময়ে রিপোর্ট করেনি মহারাষ্ট্র আর দিল্লি। মঙ্গলবার সেগুলি একসঙ্গে রিপোর্ট করা হয়। ফলে ভারতের সামগ্রিক মৃত্যুসংখ্যা চিন্তা বাড়াচ্ছে। স্বাভাবিক ভাবেই এই পরিসংখ্যানে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেকটাই বেড়েছে।

পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাও অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেকটা কম। গতকালকের রিপোর্ট অনুযায়ী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন ৮ হাজারের বেশি মানুষ।তবে এদিনের রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৯২২ জন। আর এর পরেই দেশের মোট সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৩৫।

কেন্দ্রীয় সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রামিতের সংখ্যা। এখনো পর্যন্ত দেশে মোট সংক্রমণের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৫। বিশ্বে সংক্রমণে সংখ্যার নিরিখে ভারত আমেরিকা, ব্রাজিল ও রাশিয়ার পরেই চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।

15-cities-with-rising-covid-19-cases-have-emerged-as-new-areas-of-concern

রাজ্যগুলির মধ্যে সবথেকে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণ হারানোর সংখ্যা মহারাষ্ট্রে। সেখানে ইতিমধ্যেই মোট সংক্রমণে সংখ্যা পৌঁছে গেছে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৪৫ এ। পাশাপাশি প্রাণ হারানোর সংখ্যা এই রাজ্যে ৫৫৩৭।

তামিলনাড়ু সংক্রমণের সংখ্যার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করলেও এই রাজ্যে প্রাণ হারানোর সংখ্যা অনেকটাই কম। এখানে সংক্রমণের সংখ্যা ৪৮ হাজার ১৯ আর প্রাণ হারানোর সংখ্যা ৫২৮। অন্যদিকে দিল্লিতে সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে প্রাণ হারানোর সংখ্যাও। দিল্লিতে এখনো পর্যন্ত সংক্রামিত ৪৪ হাজার ৬৮৮ আর প্রাণ হারানোর সংখ্যা ১৮৩৭।