করোনার সংক্রমন থেকে বাঁচতে এই ১০টি জিনিস ভাগাভাগি বন্ধ করুন

বর্তমানে পৃথিবীবাসীর ওপর আসা অভিশাপ কোরোনা ভাইরাসকে রোখার জন্য একমাত্র যে পথকে বেছে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে তা হলো সোশ্যাল ডিসটেন্স মানা। শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা আমাদের জন্য কিছুটা তুলনামূলক সম্বব হলেও, শুধু তাতেই কি রোখা যাবে। ভাইরাস সংক্রমণ!? আমরা কাছের লোকেদের মধ্যে হোক কিংবা দোকান থেকে জিনিস কেনার সময় অনেক কিছুই ভাগাভাগি করে থাকি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এর থেকেও ঘটতে পারে সংক্রমন।

এ বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি হাসপাতালের এক চিকিৎসক ক্রিস্টিন আর্থুর মতে আমরা শুধু বিভিন্ন বস্তুই নয়, তার মাধ্যমে জীবাণুও ভাগাভাগি করে থাকি। তিনি এক্ষেত্রে দশটি জিনিসের কথা উল্লেখ করে সেগুলির থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছেন। এই জিনিসগুলি থেকে ছড়াতে পারে ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু।

 

১. রেজর বা সিরিঞ্জ :- রেজোরের মাধ্যমে দাড়ি কটার সময় ব্যাক্তির শরীরের ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু অন্যের শরীরে ঢুকে যায়। ইনজেকশন সিরিঞ্জের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি আরও ভয়ঙ্কর হয়। এতে একজনের দেহের জীবাণু অন্যের রক্তে মিশে যায়।

২. চামচ বা স্ত্র :- নিজেদের লোকেদের সাথে ব্যাক্তিরা অনেক ক্ষেত্রে পানীয় পান করার ক্ষেত্রে একই স্ট্র বা খাবারের ক্ষেত্রে একই চামচ ব্যবহার করে।কিন্তু এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার আদান প্রদান হয়।

৩. প্লেট বা ট্রে :- একই ট্রে বা প্লেট যদি অনেকে ভাগাভাগি করে নেয় এক্ষেত্রে জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়ার আদান প্রদান ঘটে। তাই এরকম স্পর্শ থেকে দূরত্ব বজায় রাখাই ভালো।

৪. নেইল কাটার :- একজনের ব্যবহৃত নেইল কাটার অন্যজন ব্যাবহার করলে তার থেকেও সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে।

৫. ব্রাশ :- ব্রাশ কখনোই ভাগাভাগি করা উচিত নয় কারণ বেশিরভাগ রোগ জীবাণু সংক্রমিত হয় লালারোসের দ্বারা।একজনের ব্যবহৃত দাঁত মজার ব্রাশ অন্যজন ব্যবহার করলে যেকোনো সংক্রমন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে।

৬. হেডফোন বা স্পিকার :- একজনের হেডফোন বা স্পিকার অন্যজন যখন ব্যবহার করেন তখন ছড়ায় জীবাণু।

৭. টাওয়াল বা কাপড় – গামছা :- যেকোনো রকম টাওয়াল বিশেষ করে তা যদি ভেজা হয় তবে তাতে অনেকরকম জীবাণুর বাসস্থান হয়। একজনের ব্যবহার করা এই জিনিস অন্যজনের ব্যবহারে বাড়তে পারে সংক্রমন।

৮. পেন :- গবেষকদের একাংশের মতে পেন বা কলমে যে পরিমাণ জীবাণু থাকে তা ছাপিয়ে যেতে পারে টয়লেটকেও। তাই পেন ভাগাভাগি না করাই ভালো।

৯. ফোন :- কোনো একজনের ব্যক্তিগত মোবাইল অন্যজন ব্যাবহার করলে, অথবা টেলিফোন বুথে যেখানে অনেকে একই ফোন ব্যবহার করে, আফিসের রিসেপশনে যেখানে একই ফোন অনেকে ব্যাবহার করে থাকেএতেও ভাইরাস বা জীবাণুর লেন দেন হয়।

১০. মেকআপ কিট ও ব্রাশ :- মেয়েদের একই মেকআপ কিট ও ব্রাশ ভাগাভাগি করে ব্যাবহার করার ফলে তাদের মধ্যে জীবাণু এবং ব্যাকটেরিয়ার আদান প্রদান ঘটে।