লকডাউনে ATM জালিয়াতি রুখতে মেনে চলুন SBI-এর ১০টি টিপস

লকডাউনে ATM জালিয়াতি রুখতে মেনে চলুন SBI-এর ১০টি টিপস

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলছে লকডাউন। আর এই লকডাউন চলাকালীন নগদ ব্যবহারের জায়গায় দিন দিন বাড়ছে ডিজিটাল লেনদেন। ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে জালিয়াতি। আর এই জালিয়াতি থেকে বাঁচার জন্য দেশের প্রতিটি ব্যাঙ্ক তাদের গ্রাহকদের নানান পরামর্শ দিচ্ছে।

কিন্তু প্রতারকরাও নানান কৌশল খুঁজে গ্রাহকদের প্রতারণার মুখোমুখি হতে বাধ্য করছেন। আর এবার এ নিয়েই ভারতের সবথেকে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তাদের গ্রাহকদের জন্য দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়ার ১০ টি উপায়ের কথা জানালো।

স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া তাদের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে জানিয়েছে, দিল্লিতে এটিএম কার্ড ক্লোন করে প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। যে কারণে কোনো রকম অসঙ্গতিপূর্ণ লেনদেন দেখলেই তৎক্ষণাৎ নিজেদের শাখায় বিষয়টি জানান। ক্ষতিগ্রস্ত এসবিআই গ্রাহকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, পাশাপাশি নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করলে টাকা ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে।

জালিয়াতি রুখতে SBI-এর ১০টি টিপস

১) এটিএম জালিয়াতি অথবা অন্য কোন প্রতারণা থেকে নিজেদের অ্যাকাউন্ট বাঁচাতে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর (PIN) পরিবর্তন করুন।

২) এটিএম হোক অথবা পিওএস-এ নিজের কার্ড দিয়ে টাকা তোলার অথবা কোন কিছু কেনার সময় যখন পাসওয়ার্ড দেবেন তখন অবশ্যই আড়াল করে দিন।যাতে কেউ আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দেখতে না পায় অথবা কোনরকম গোপন ক্যামেরা থাকলে তাতে যেন ক্যামেরাবন্দি না হয়।

৩) এটিএম পিন কোথাও লিখে রাখবেন না। এটিএম পিন মনে রাখুন।

৪) এটিএম পিন দেওয়ার ক্ষেত্রে কখনোই নিজের জন্ম সাল বা জন্মতারিখ ব্যবহার করবেন না। এতে জালিয়াতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৬) কখনোই এটিএম পিন, ওটিপি অথবা অন্য কোনো গোপন তথ্য অন্য কাউকে জানাবেন না।

৭) কেউ যদি এটিএম পিন, ওটিপি অথবা অন্য কোনো গোপন তথ্য জানার জন্য ফোন অথবা এসএমএস করে তার কোন উত্তর দেবেন না।

৮) এটিএম কাউন্টারের মধ্যে কখনোই এক জনের বেশি মানুষ প্রবেশ করবেন না। অন্য কেউ কাজ করলে আপনি বাইরে থাকবেন অথবা আপনি যখন কাজ করবেন তখন অন্য কাউকে ঢুকতে দেবেন না।

৯) কোন ব্যক্তি আপনার পিন জেনে নিচ্ছে কিনা তা লক্ষ্য রাখবেন। এমনটা সন্দেহ হলে অবশ্যই পিন পরিবর্তন করে নিন।

১০) প্রতারণা থেকে বাঁচতে Yono অ্যাপ Yono ক্যাশ ব্যবহার করুন। এটিএম কার্ড ব্যবহার করার তুলনায় এই পদ্ধতি অনেক সুরক্ষিত।