আগে সেক্স পরে কাজ, বলিউডে কাজ পেতে নায়কদেরও মেটাতে হয় প্রযোজকের যৌন চাহিদা

কাজের বিনিময়ে কুপ্রস্তাব, বলিউডের নোংরা কেচ্ছা ফাঁস করে দিলেন রণবীর সিং

Ranveer Singh opens up about his casting couch experience in Bollywood

বলিউডে (Bollywood) শুধু নায়িকারা একা নন, নায়করাও অনেক সময় কাস্টিং কাউচ কিংবা পরিচালক-প্রযোজকদের থেকে কাজের সুযোগের বিনিময়ে কুপ্রস্তাব পেয়ে থাকেন। প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছিল বলিউডের অন্দরে মিটু আন্দোলনের সময়। বলিউডের একাধিক পরিচালক, প্রযোজক, এমনকি সংগীত পরিচালকদের বিরুদ্ধে একে একে মুখ খুলছিলেন তারকারা। তবে মুখ খুলে অবাক করে দিয়েছিলেন অভিনেতারা।

আয়ুষ্মান খুরানা থেকে শুরু করে রণবীর সিং (Ranveer Singh), বলিউডের প্রথম সারির তাবড় তাবড় অভিনেতারা কাস্টিং কাউচের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি এই বিষয়ে মুখ খুললেন রণবীর সিং। পর্দায় অভিনয় করার সুযোগ পাওয়ার আগে তিনটি বছর তাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছিল। অনেক অপমান হজম করতে হয়েছিল রণবীরকে। তখনই তাকে কাস্টিং কাউচের প্রস্তাব দিয়েছিলেন একজন প্রযোজক।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারের রণবীর শিকার করে নেন বলিউডে শুধু নায়িকারাই এই ধরনের কুপ্রস্তাব পেয়ে থাকেন এমনটা নয়। অভিনেতাদের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটেছে বহুবার। এর সাক্ষী তিনি নিজেই। একবার যেমন এক প্রযোজক তাকে বাড়িতে নিমন্ত্রণ করে এনে তার গায়ে বাড়ির পোষ্য কুকুর ছেড়ে দেন। তিনি শুধু মজা দেখার জন্য রণবীরের সঙ্গে এমনটা করেছিলেন।

এখানেই শেষ নয়, ওই প্রযোজক পরে একবার তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিলেন। একটি প্রাইভেট পার্টিতে রণবীরকে ডেকে নিভৃত স্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন ওই প্রযোজক। তারপর তিনি তাকে প্রশ্ন করেন কঠিন পরিশ্রম নাকি স্মার্টনেস, কোনটা তার বেশি পছন্দ? এতে রণবীর পরিশ্রমের পথটাই বেছে নিয়েছিলেন। তখন ওই প্রযোজক তাকে বলেন, ‘ডার্লিং স্মার্ট হও, সেক্সি হও’।

কেরিয়ার শুরুর প্রথম অধ্যায়ের স্ট্রাগলের কথা ভুলে যাননি রণবীর। প্রথমে একজন কপি রাইটার হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রেখেছিলেন তিনি। ওই সময় তাকে অভিনেতা হওয়ার সুযোগ দিতে চাইছিলেন না কেউই। কেরিয়ারের পথে অন্ধকার ঘিরে ধরেছিল রণবীরকে। ওই সময় তিনি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করতে শুরু করেন। যোগ দিয়েছিলেন থিয়েটার গ্রুপেও।

তিন বছর একটানা পরিশ্রম করার পর মণীশ শর্মার ‘ব্যান্ড বাজা বারাত’ ছবিতে তিনি প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান। এরপর ধীরে ধীরে তার কেরিয়ার নতুন মোড় নিতে শুরু করে। আজ সফলতার এই পর্যায়ে এসে পৌঁছে তিনি মনে করেন ফেলে আসা দিনগুলো থেকে তিনি যে অভিজ্ঞতা পেয়েছিলেন সেগুলোই তাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। আজ তার হাতে যে সুযোগ রয়েছে সেগুলোর কদর তিনি করতে শিখেছেন পুরনো অভিজ্ঞতা থেকেই।