পিছিয়ে গেল মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা, নতুন দিন ঘোষণা করলেন শিক্ষামন্ত্রী

করোনা আবহে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ স্কুল-কলেজসহ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সংক্রমণ এড়াতে তাই ক্লাস চলছে অনলাইনে। স্বভাবতই পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে সমস্ত বোর্ড এক্সাম।

করোনার কারণে মার্চ মাস থেকে বন্ধ স্কুলের পঠনপাঠন। চলতি শিক্ষাবর্ষে মাত্র আড়াই মাস ক্লাস করতে পেরেছে ২০২১-এর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা।

করোনা আবহে টালমাটাল পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে তাই পিছিয়ে দেওয়া হল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। জানা যাচ্ছে আগামী বছরের জুন-জুলাইয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা নিতে চেয়ে রাজ্য সরকারকে প্রস্তাব পাঠায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

 

পর্ষদ এবং সংসদ এর প্রস্তাবে সায় দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় আজ জানিয়েছেন এবছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে ২০২১ এর জুনে। করোনা পরিস্থিতির কথা বিচার করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা দপ্তর।

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একইসঙ্গে বুধবার শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, করোনা আবহে আপাতত খুলছে না স্কুল। তবে কোন দিন কোন পরীক্ষা নেওয়া হবে সেই সংক্রান্ত চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনো জানানো হয়নি। পর্ষদ এবং সংসদ এ বিষয়ে পরে বিজ্ঞপ্তি জানিয়ে বিস্তারিত জানাবে।

 

এছাড়া রাজ্যে বিধানসভা ভোট রয়েছে। এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পরীক্ষার দিনক্ষণ নিয়ে রাজ্যের মতামত যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেদিকে তাকিয়েই এপ্রিল–মে মাসের সম্ভাব্য ভোটের পরেই পরীক্ষাগুলি নেওয়া হবে। সুতরাং পিছিয়ে গেল পরীক্ষা।

প্রতিবছর সাধারণত মাধ্যমিক পরীক্ষা হয় ফেব্রুয়ারি মাসে। এরপর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয় মার্চে। কিন্তু ছন্দ পতন হয়েছে এই বছর। সম্প্রতি দুটি দিল্লি বোর্ডের তরফে পরীক্ষা পিছিয়ে দেওযার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এবার সেই পথেই হাঁটল পর্ষদ ও সংসদ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার কারণে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ৩০-৩৫ শতাংশ সিলেবাস কমানোর কথা ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী কোন কোন অধ্যায় পরীক্ষাতে থাকবে এবং কোনগুলো বাদ পড়েছে তা বিষয়ভিত্তিকভাবে নোটিফিকেশন করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।