আজ থেকে দেশজুড়ে খুলছে দোকানপাট, বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

বিশ্বে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রামিতদের সংখ্যা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশেও। আর এই সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘদিন লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের আর্থিক অবস্থা। করোনা ভীতির পাশাপাশি আর্থিক সংকট দেশের মানুষদের গ্রাস করছে প্রতিনিয়ত। আর এমত অবস্থায় কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে শুক্রবার রাতে আর্থিক ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে স্বচ্ছল করার জন্য নয়া এক নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়। যে নির্দেশিকাতে জানানো হয়, শর্তসাপেক্ষে অত্যাবশ্যকীয় দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকান খোলা যেতে পারে।

শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পুর এলাকার বাইরে বসতিপূর্ন এলাকা ও বাজার এলাকায় এখন অত্যাবশ্যকীয় দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকান খোলা যাবে। যেসব দোকান শপস অ্যান্ড এস্ট্যাবলিশমেন্ট আইনের আওতায় রয়েছে সেইসব দোকানের মালিকরা শনিবার থেকে দোকান খুলতে পারবেন। তবে দোকান খোলা হলেও করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সরকারি যে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে মেনে চলতে হবে।

দোকান খোলার ক্ষেত্রে কি কি শর্ত রয়েছে?

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে অত্যাবশ্যকীয় দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকান খোলার অনুমতি দিলেও যে সকল শর্ত আরোপ করা হয়েছে সেগুলি হল, পুরসভা এলাকার বাইরে খোলা দোকানগুলিতে সরকারি গাইডলাইন মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ কর্ম করতে হবে। দোকানে ৫০% কর্মচারী নিয়ে কাজকর্ম চালাতে হবে।

আরও পড়ুন :- সংকটের মাঝেই স্বস্তির খবর, করোনা মুক্ত ভারতের ৪ রাজ্য

আবার পুরসভা এলাকাতেও দোকান খোলার ক্ষেত্রে অনুমতি নিতে হবে পুরসভার। একক দোকান, বসতিপূর্ন এলাকায় একক দোকান খোলার ক্ষেত্রে অনুমতি মিললেও আপাতত অনুমতি মেলেনি শপিং মল, সুপার মার্কেট ইত্যাদি খোলার ক্ষেত্রে। অর্থাৎ শপিংমল, সুপার মার্কেট এগুলি সব বন্ধ থাকবে। ফলে মল, কমপ্লেক্স এলাকায় দোকানপাট থাকলে তা খোলা যাবে না।

কোন এলাকায় দোকানপাট খুলবে?

অত্যাবশ্যকীয় দোকান ছাড়াও অন্যান্য দোকান খোলার যে অনুমতি মিলেছে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সেই অনুমতি কেবলমাত্র গ্রীন জোন এলাকাগুলির জন্য। অর্থাৎ যেসব এলাকায় এই মুহূর্তে করোনা পজেটিভ কেস নেই। অন্যদিকে হটস্পট বা কনটেন্টমেন্ট এলাকাগুলিতে আগের মতই লকডাউনের বিধি জারি থাকবে।