অবস্থা চরম সংকটজনক, ভেন্টিলেশনে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা

শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি, ঐন্দ্রিলার গলায় ফুটো করে ঢোকানো হল নল

গত চারদিন ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা (Aindrila Sharma)। মঙ্গলবার রাতে ব্রেন স্ট্রোকের কারণে তাকে ভর্তি করাতে হয় হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তারপর থেকে সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার। এর মাঝে শুক্রবার তার শারীরিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। চিকিৎসায় সাড়াও দিচ্ছিলেন ঐন্দ্রিলা। কিন্তু শনিবার তার অবস্থার আরও অবনতি হল।

আনন্দবাজার অনলাইন সূত্রের খবর, শনিবার ঐন্দ্রিলার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। ঐন্দ্রিলাকে এখন তার উপসর্গের ভিত্তিতে চিকিৎসা করা হচ্ছে। শনিবার তাকে ট্র্যাকিওস্টমি করানো হয়েছে। গলায় ফুটো করে নল ঢোকানো হয়েছে তার শরীরে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী এখনও বিপদমুক্ত নন।

ঐন্দ্রিলার চিকিৎসকরা এখন তার ভেন্টিলেশন সাপোর্টের মাত্রা কমানোর চেষ্টা করছেন। শুক্রবার জানা গিয়েছিল অভিনেত্রীর সংজ্ঞা না ফিরলেও তিনি চোখ খোলার চেষ্টা করেছিলেন। তার শরীরের বাম দিকেও সাড় ফিরছিল। বাম চোখ এবং বাম কাঁধ সামান্য নাড়াতে পেরেছিলেন অভিনেত্রী। এখন চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে তিনি স্বাভাবিকভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন।

ঐন্দ্রিলার সহকর্মী থেকে শুরু করে তার অনুরাগী, শুভানুধ্যায়ীরা সকলেই এখন কায়মনোবাক্যে তার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা করছেন। এর আগেও ২ বার ক্যান্সারকে জয় করে হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছিলেন ঐন্দ্রিলা। তাই তাকে নিয়ে আশা হারাতে রাজি নন তার কাছের মানুষরা। ঐন্দ্রিলা লড়াকু মেয়ে। মৃত্যুকে বারবার হারিয়েছেন তিনি। এবারেও হারাবেন, এমনটাই বিশ্বাস করেন তার শুভানুধ্যায়ীরা।

ঐন্দ্রিলার প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরী শুক্রবার তার সম্পর্কে জানাতে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছিলেন, “মেয়েটা লড়ে যাচ্ছে, সাথে লড়ছে একটা গোটা হাসপাতাল। নিজের হাতে করে নিয়ে এসেছিলাম, নিজের হাতে ওকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাব। এর অন্যথা কিছু হবে না।” শুক্রবার সব্যসাচীর এই কথাই আশ্বস্ত হয়েছিলেন ভক্তরা।

Sabyasachi Chowdhury shared health Update of Aindrila Sharma

মঙ্গলবার রাতে আচমকা ব্রেন স্ট্রোক হয়ে যায় ঐন্দ্রিলার। তাকে সঙ্গে তার শরীরের পক্ষাঘাত হয়। শরীরের একটা দিক অসাড় হয়ে গিয়েছিল। ঐন্দ্রিলা বমিও করছিলেন। তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন সব্যসাচী। তারপর থেকে ঐন্দ্রিলার সঙ্গে সব সময় হাসপাতালেই তার পাশে রয়েছেন তিনি।