অভিনন্দনকে মার খাইছে পাক সেনারাই : প্রকাশ্যে এলো চাঞ্চল্যকর ভিডিও

2679

পাক প্রকাশিত ভিডিওতে বায়ু সেনা অভিনন্দন বললেন, “আমার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করা হয়েছে পাক সেনাদের তরফে।” কিন্তু তা নয়, কোনও ভালো ব্যবহার নয়, অভিনন্দনকে মার খাইয়েছে পাক সেনা সামনে উপস্থিত থেকেই। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পাক সেনার এক মেজরও। সেই বিষয়কেই আন্তর্জাতিক মহলে ধামাচাপা দিতে এত কাণ্ড।

পাক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া স্থানীয় পাক ব্যক্তির বক্তব্য প্রমাণ করছে, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের হাতে পড়ার সময় থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো ঘটনায় উপস্থিত ছিল পাকিস্তানের সেনা। তারা দাঁড়িয়ে থেকে মার খাওয়ায় এবং তারপর সেই ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে ভিডিও করে জোড় করে ভারতীয় পাইলটকে বলিয়ে নেয় যে, পাকিস্তান সেনারা ভালো ব্যবহার করেছে অভিনন্দনের উপর।

পাকিস্তানের সামা টিভিকে দেওয়া পাকিস্তানের সিন্ধার এলাকার ওই স্থানীয় ব্যক্তি কি বলেছেন? তিনি বলছেন, “আমি সেসময় অফিসে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বেরোচ্ছিলাম। তখনই দেখি বড় বিমানের মত একটা কিছুতে আগুন লাগা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দেখি যে একটা বাড়ির পাশেই প্যরাস্যুটে করে একজন নামছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি ঘুরিয়ে সেখানে যাই। আমাদের পাক সেনাদের কাছে খবর ছিল বাড়ির কাছে কোনও একটা প্যরাশ্যুট পড়েছে। কিন্তু ওরা বুঝতে পারছিল না ঠিক কোন জায়গায় সেটা রয়েছে। আমি ওদেরকে আমাদের গাড়িতে বসিয়ে সেখানে নিয়ে যাই।

আমরা যখন ওখানে পৌঁছাই তখন দেখি যে ওই বিমানের পাইলট এলাকারই একটি নালার উপর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। আমি, পাক সেনার মেজর এবং আরও কিছু সেনাকে নিয়ে ওর পিছন ধাওয়া করতে শুরু করি। তখন ওই পাইলট আমাদেরকে লক্ষ্য করে দুবার গুলি চালায়। তবে সেই গুলি আমাদের কারোও গায়ে লাগেনি। আমরা ফের ওর পিছনে ধাওয়া করি। তখন দেখি যে ও ছুটে একটা নদীর জলে ঝাঁপ দিয়ে দিল।

আমি নিজে ওকে ধরবার চেষ্টা করি। কিন্তু পারিনি। তখন ও আবার একবার আমার উপর গুলি চালানোর চেষ্টা করে। আমি ছোট ওই নদীর ধার থেকে পাথর তুলে ওর দিকে ছুঁড়ে মারি বাধ্য হয়ে। একটা পাথর ওর পায়ে লাগে আর একটা পাথর ওর মাথার পাশ দিয়ে বেড়িয়ে যায়। তখন ও আমাকে নদীর জল থেকেই বলে যেন পাথর না মারা হয়।”

এরপরে ওই স্থানীয় পাক ব্যক্তি যা বলছেন তাতেই রহস্য উদঘাটিত হয়। তিনি এর পরে সংবাদমাধ্যমকে বলছেন, “প্যারাস্যুটে থেকে নামার পর আমরা যখন ওই ব্যক্তিকে দেখতে পাই তখন থেকেই পুরো ঘটনার সময় পর্যন্ত আমার সঙ্গে পাক সেনার মেজর এবং আরও কয়েকজন জওয়ান ছিল।” অর্থাৎ ওই স্থানীয় পাক ব্যক্তির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে স্পষ্ট যে, অভিনন্দনকে মারধরের সময় সেখানের উপস্থিত ছিলেন পাক সেনারা। শুধু সেনারাই নন, সাথে ছিলেন এক মেজরও।

इसे कहते है देश का सच्चा सिपाही…पाकिस्तानी मीडिया एवं नागरिक खुद कह रहे की हमारा जाँबाज़ पायलट अभिन्दन ने पकडे जाने से पहले सारे खुफिया कागज निगल लिए। मां भारती के बब्बर शेर की वीरता को सलाम।#अभिनंदन 🇮🇳

National Crime Investigation Bureau यांनी वर पोस्ट केले गुरुवार, २८ फेब्रुवारी, २०१९

 

আরও পড়ুন ; অভিনন্দন কে হস্তান্তরে দেরি! জোর করে স্বীকারোক্তি ভিডিও তৈরি করল পাকিস্তান

অর্থাৎ পাক সেনারাই পুরো ঘটনাটি ঘটতে দিয়েছে তা স্পষ্ট। আর এই সকল ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে অভিনন্দনের ভিডিও শ্যুট! কনভেনশনের ১৩ নম্বর ধারা লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান৷ আরও ভিডিও শ্যুট করিয়ে পাকিস্তান এবং তাঁকে ছাড়তে যতটা দেরি হয়েছে তার পিছনে রয়েছে এই ভিডিও শ্যুট। পাকিস্তান মিথ্যাবাদী আবারও প্রমাণিত। থাকুন আমাদের সাথে….আরও অনেক তথ্য ফাঁসের মুখে। পর পর নিয়ে আসছি……