ইউরোপের মত বড় শহর বানাচ্ছেন মুকেশ আম্বানি, ভারতে গড়ে উঠবে স্মার্ট সিটি

এশিয়া তথা পৃথিবীর জনপ্রিয় সেরা ধনকুবের মুকেশ আম্বানি (Mukesh Ambani) কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক। তার সম্পত্তি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। আম্বানিদের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ (Relience Industries) -র ব্যবসা দিনে দিনে আরও ফুলেফেঁপে উঠছে। এবার দেশের মাটিতে বিশ্বমানের স্মার্ট সিটি (World Class Smart City) গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এগোচ্ছেন মুকেশ আম্বানি।

মুকেশ আম্বানি দিল্লি শহরের ঠিক পাশে একটি স্মার্ট সিটি গড়ে তুলবেন যেখানে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের আওতায় সাবসিডিয়াল মডেল ইকোনমিক টাউনশিপ লিমিটেড কিংবা মেট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইউরোপের শহরগুলিতে যেমন উন্নতমানের পরিষেবা প্রদান করা হয়, এখানেও ঠিক তেমনই হবে।

MUKESH AMBANI`S SMART CITY

প্রায় ৮ হাজার একর জমির উপর তৈরি হবে এই শহর। হরিয়ানার ঝাজ্জারে এই শহরের নির্মাণের জন্য ২২০ কেভি পাওয়ার স্টেশন, জলের সংযোগ এবং জলের ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বসানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ইকোনোমিক টাউনশিপ লিমিটেড বা মেট সিটির আধুনিক রাস্তা তৈরির কাজও শেষ হয়ে এসেছে। জাপানের চারটি বড় বড় সংস্থাকে শহর নির্মাণের কাজ দেওয়া হয়েছে।

যতদূর জানা যাচ্ছে জাপানের কোহডেন, প্যানেসনিক, ডেনসো ও টি-সুজুকি সংস্থাকে মুকেশ আম্বানির আন্তর্জাতিক মানের শহর নির্মাণের বরাত দেওয়া হয়েছে। এই শহর ভারতের বৃহত্তম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চলেছে। মেটসিটির সিইও এসভি গয়াল জানিয়েছেন তাদের হাতে ৪০০ এর বেশি গ্রাহক রয়েছেন। এই শহর উত্তর ভারতের সবথেকে দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাওয়া গ্রিনফিল্ড স্মার্ট সিটি হবে।

MUKESH AMBANI`S SMART CITY

মুকেশ আম্বানির নতুন স্মার্ট সিটির পাশেই রয়েছে দিল্লী, গুরুগ্রাম, নয়ডার মত শহরগুলি। কুণ্ডলী মানেশ্বর পালওয়াল এক্সপ্রেসওয়ের উপরে অবস্থিত এই শহরের কাছেই রয়েছে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এখানে খুব তাড়াতাড়ি রেল পরিষেবাও জুড়ে দেওয়া হবে। শহরের কাছে এসজিটি ইউনিভার্সিটি, শেহওয়াগ স্কুল এবং এইমস অবস্থিত।

MUKESH AMBANI`S SMART CITY

আরও পড়ুন : ভোলেননি ভারতীয় সংস্কৃতি, নাতনির কী নাম রাখলেন মুকেশ আম্বানি? জানলে অবাক হবেন

একাধিক ব্রান্ডের ৪৫০ টি সংস্থা মুকেশ আম্বানির নতুন স্মার্ট সিটিতে বিনিয়োগ করার জন্য এগিয়ে এসেছে। এরমধ্যে সাতটি বহুজাতিক সংস্থাও রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ভূমির বিকাশের জন্য ৮৮০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এখানে প্রায় ২৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে সংখ্যাটা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন : বিশ্বের সবথেকে দামি গয়না পরেন মুকেশ আম্বানির পুত্রবধূ, এর দাম আপনার কল্পনার বাইরে