টুকে টুকেই ব্লকবাস্টার, অন্যের সিনেমা কপি করেই সুপারহিট আমির খানের এই ৫ সিনেমা

Riya Chatterjee

Published on:

১১ ই আগস্ট মুক্তি পেয়েছে আমির খানের নতুন ছবি লাল সিং চাড্ডা। এই ছবি নিয়ে গোটা দেশে চলছে তোলপাড়। বয়কটের প্রসঙ্গ বাদ দিলেও হলিউডের কপি ছবি বলে আরও দেখতে চাইছেন না দর্শকদের একাংশ। তবে জানেন কি আমিরের কেরিয়ারের বড় বড় যে হিট প্রজেক্টগুলো রয়েছে তার মধ্যে বেশিরভাগই হলিউড থেকে অনুপ্রাণিত? এক নজরে দেখে নিন আমির খানের কোন ছবি (List of Aamir Khan’s movie copied from Hollywood) হলিউডের থেকে কপি করা হয়েছে।

লাল সিং চাড্ডা (Laal Singh Chadda) : আমির খান ও করিনা কাপুর খানের ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সদ্য। ১৮ বছর আগেই নাকি এই ছবি বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আমির। শেষমেষ ১৮০ কোটি টাকা খরচ করে বানানো হয়েছে ‘ফরেস্ট গাম্পে’র হিন্দি রিমেক। হলিউডে এই ছবিটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল। তবে ভারতে এই ছবিটির হিন্দি রিমেক দেখতেই চাইছেন না কেউ।

গজনি (Ghajini) : আমির খান ও আসিন অভিনীত গজনি ছবিটিও আসলে রিমেক ছিল। এই ছবিটিকে রিমেকেরও রিমেক বলা যেতে পারে। নোলানের ‘মোমেন্টো’ ছবি থেকে প্রথমে দক্ষিণে ‘গজনি’ নামের ছবিটি বানানো হয়। বক্স অফিসে ছবিটির ব্যাপক সাফল্য দেখে আমির খানও সেটিকে বলিউডে বানানোর চেষ্টা করেন। এই ছবি এবং দক্ষিণের ছবিতেও নায়িকা ছিলেন আসিন।

GAJHINI

ফনা (Fanaa) : আমির খান এবং কাজল অভিনীত ‘ফনা’ ছবিটিও বিদেশি ছবির রিমেক বলে জানা যাচ্ছে। ছবিটি ‘আই অফ দ্য নিডল’ থেকে অনুপ্রাণিত। এছাড়া কোরিয়ান ছবি ‘সিরি’র থেকেও কিছুটা অংশ নেওয়া হয়েছে এই ছবিতে।

গুলাম (Gulaam) : আমির খান এবং রানী মুখার্জির ‘গুলাম’ ছবিটিও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল বলিউডে। যে ছবি নিয়ে দর্শকরা এত মাতামাতি করেন সেই ছবিটি আসলে ছিল হলিউড ছবির রিমেক। হলিউডের ছবিটির নাম ছিল ‘অন দ্য ওয়াটারফ্রন্ট’।

ধুম ৩ (Dhoom 3) : ২০০৬ সালে মুক্তি পেয়েছিল আমির খান, ক্যাটরিনা কাইফ, অভিষেক বচ্চন অভিনীত এই ব্লকবাস্টার ছবিটি। এই ছবিও ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য প্রেস্টিজ’ ছবির থেকে অনুপ্রাণিত বলে জানা যায়। তবে ছবিটি অফিশিয়াল রিমেক নয় বলেই জানা গিয়েছে।

রং দে বসন্তি (Rang De Basanti) : আমির খান, সোহা আলি খান, শরমন যোশী, আর মাধবনকে নিয়ে দেশাত্মবোধক এই ছবিটিও ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিল। সেই সঙ্গে বক্স অফিসে ভাল ব্যবসা করতেও পেরেছিল। এই ছবিতে ১৯৪৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হলিউডের ছবি ‘অল মাই সনস’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে।