বাংলার গর্ব দিতিপ্রিয়া, সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে বাংলাকে সেরা সম্মান এনে দিলেন রাণীমা

টলিউডের দুর্দিনেও বাংলার গর্ব দিতিপ্রিয়া, দিতিপ্রিয়ার হাত ধরে বাংলা পেল সেরা সম্মান

বাংলা টেলিভিশন (Bengali Telivision) দেখুন বা না দেখুন, দিতিপ্রিয়া রায়কে (Ditipriya Roy) আজ গোটা বাংলাই চেনে। বাংলা টেলিভিশনে শিশু অভিনেত্রী হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজ সেই মেয়েই বাংলাকে এনে দিল সেরার সেরা সম্মান। মাত্র ১৯ বছর বয়সে খ্যাতির শিখরে পৌঁছে গেলেন দিতিপ্রিয়া। সেইসঙ্গে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন এই অভিনেত্রী।

ছোট পর্দার রাণীমা বড়পর্দায় হয়ে উঠেছিলেন শর্মিলা ঠাকুর। সত্যজিৎ রায়ের ‘অপুর সংসার’কে আরও একবার পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলেন পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র। ছবির নাম ছিল ‘অভিযাত্রিক’ (Avijatrik)। এই ছবি বাঙালিকে নস্টালজিক করে তুলেছে।

এবার এই ছবিই ৬৮তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার মঞ্চে সেরা বাংলা ছবির শিরোপা জিতে নিয়েছে। স্বভাবতই এই খবরে দারুণ খুশি নায়িকা। গত তিন বছর ধরে এই ছবির শুটিং চলেছে। শুটিংয়ের জন্য কঠোর পরিশ্রম হল সার্থক।

ছবির এই সাফল্যে দারুণ খুশি দিতিপ্রিয়া। সিনেমার গোটা টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, হিরোইন হিসেবে এটাই ছিল দিতিপ্রিয়ার প্রথম ছবি। এই ছবিতে তার কোনও সংলাপ ছিল না। চোখের ভাষা এবং মুখের অভিব্যক্তি দিয়ে অভিনয় ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি।

করোনার জন্য গত কয়েকদিন ধরে জাতীয় পুরস্কার ঘোষণার তালিকা পিছিয়ে যাচ্ছিল। সম্প্রতি সেই রেজাল্ট এল প্রকাশ্যে। বাংলার সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ‘অভিযাত্রিক’ সিনেমাটি। সেই সঙ্গে সেরা সিনেমাটোগ্রাফারের পুরস্কারও জিতে নিয়েছে এই ছবি।

এই ছবির জন্য সেরা সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সুপ্রতিম ভোল। উল্লেখ্য, এই ছবিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েছেন অর্জুন চক্রবর্তী। অপু এবং অপর্ণার ছেলে কাজলের ভূমিকায় অভিনয় করেছে ছোট্ট আয়ুষ্মান মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, ছবিটি এর আগে ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং লন্ডনে প্রদর্শিত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক স্তরেরও প্রশংসা পেয়েছিল।