গুনগুনের কানে বিষ ঢালছে তিন্নি, চলছে সংসার ভাঙ্গার চেষ্টা, তিতিবিরক্ত দর্শক

সৌজন্যের ছাড়বে না অনন্যা! গুনগুনের কানে বিষ ঢেলে চলছে সংসার ভাঙ্গার চেষ্টা

সৌগুনকে আলাদা করতে কোনও কার্পণ্য করছে না অনন্যা। বোনের বরকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে সে। সবরকম ভাবে চেষ্টা করেও যখন কাজ হলো তখন গুনগুনের কলেজে এসে আলাদাভাবে তার সঙ্গে দেখা করে সৌজন্যের বিরুদ্ধে তাকে উস্কানোর চেষ্টা করে অনন্যা। সৌজন্যকে পেতে নোংরা খেলায় মেতেছে অনন্যা। খড়কুটোর (Khorkuto) দর্শকরা এই নোংরামো দেখতে রাজি নন।

মামাতো বোন হলেও গুনগুনকে মোটেই সহ্য করতে পারে না অনন্যা। বিশেষ করে সৌজন্য এবং গুনগুনের বিয়েটা সে মানতে পারে না। সে গুনগুনকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবে। গুনগুনের কারণেই সৌজন্যের সঙ্গে তার বিয়ে হয়নি, এই ভেবে সে গুনগুনকে মনে মনে শত্রু বানিয়ে বসেছে। সৌগুনের সুখের সংসার দেখে তার মনের শান্তি দূর হয়েছে। তাই নিজেকে সৌজন্যের স্ত্রী বলে দাবি করে সে সৌগুনকে আলাদা করতে চাইছে।

তবে গুনগুন এবং সৌজন্যের পরিবার অবশ্য অনন্যার নোংরামির ভালোমতোই ধরতে পেরেছে। সে যে মিথ্যাচার করছে তাও সকলের জানা। কিন্তু তাতে অবশ্য অনন্যা হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নয়। এদিকে সৌজন্যের বিরুদ্ধে আবার আদালতে মামলা দায়ের করে বসে আছে অনন্যা। সৌজন্য তাকে ঠকিয়েছে, এটাই তার অভিযোগ।

মামলার পর এবার আরেক পন্থা নিয়েছে অনন্যা। সে গুনগুনের কানে বিষ ঢালছে সৌজন্যের নামে। কলেজে পৌছে গিয়ে গুনগুনকে একা পেয়ে আলাদাভাবে সে বলে, “গুনগুন আমি এতটাও খারাপ নই। দেখ আমি তো তোমার থেকে কিছুই লুকাইনি, তোমার হাসবেন্ড তোমার থেকে সবকিছু লুকিয়ে গিয়েছিল। আর যে আমাকে এতো ঠকিয়েছে তাকে তো আমি এতো সহজে ছেড়ে দেব না। তুমি হয়তো এখনও ওকে সাপোর্ট করবে বিশ্বাস করবে কিন্তু বিশ্বাস করো আমি কিন্তু মিথ্যে বলছি না”।

অনন্যা গুনগুনকে বলে তার কাছে সব প্রমাণ আছে। সব প্রমাণ সে আদালতে তুলে ধরবে। এদিকে এই ভিডিও দেখে নেটিজেনরা রেগে আগুন। ধারাবাহিকে অনন্যাকে আনার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা। ধারাবাহিকের এই প্লট তাদের মোটেই পছন্দ নয়। নেটিজেনদের সাফ কথা, অনন্যাকে দেখলে টিভি বন্ধ করে দিতে হয়। খড়কুটোকে (Khorkuto) নষ্ট করে দিচ্ছে অনন্যা!