ভাইবোনে বিয়ের পর লিপস্টিক দিয়ে সিঁদুর দান, গাঁজাখুরি গল্প লিখে চূড়ান্ত ট্রোল লীনা গাঙ্গুলী

বাংলা সিরিয়ালে শুধুই গাঁজাখুরি গল্প, সিঁদুরের বদলে লিপস্টিক দানে বিয়ে দেখিয়ে ট্রোল্ড লীনা গাঙ্গুলী

স্টার জলসার (Star Jalsha) ‘ধূলোকণা’ (Dhulokona) ধারাবাহিক নিয়ে দর্শকদের অভিযোগ যেন কিছুতেই থামছে না। বারবার বিভিন্ন কারণে ধারাবাহিকের গল্প নিয়ে কথা শুনতে হচ্ছে লেখিকা লীনা গাঙ্গুলীকে (Leena Ganguly)। প্রধানত নায়ক-নায়িকার বারবার বিয়ে দেখানো নিয়ে এতদিন তার সমালোচনা করে আসছিলেন দর্শকরা। কিন্তু এবারে ধারাবাহিকে যা ঘটেছে তা দেখে হেসেই খুন হলেন দর্শকরা। সেই সঙ্গে লীনা গাঙ্গুলী চূড়ান্ত ট্রোল হলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

‘ধূলোকণা’তে এখন লালন এবং তিতিরের বিয়ে দেখানো হচ্ছে। দুর্ঘটনায় স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফুলঝুরিকে ভুলে লালন তিতিরের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে। এদিকে যদি লালনের স্মৃতিশক্তি ফেরানো সম্ভব হয় তা ভেবে ফুলঝুরিও লাল বেনারসি পরে কনের মত সেজে উপস্থিত হয়েছে বিয়ের আসরে। যদিও লালনের তাকে দেখে তেমন কিছুই মনে পড়ছে না। বরং ফুলঝুরিকে দেখলেই বিরক্ত হয় সে।

ধারাবাহিকের সাম্প্রতিকতম পর্বে দেখানো হল অবশেষে তিতিরের সঙ্গেই লালনের বিয়েটা হয়ে গেল। কিন্তু বড়ই অদ্ভুতভাবে বিয়েটা দেখানো হয়েছে এই সিরিয়ালে। এখানে সিঁদুরদানের বালাই ছিল না। সিঁদুরের বদলে লিপস্টিক দানে বিয়ে হয়েছে লালন-তিতিরের। এর আগে কোনও বিয়ের অনুষ্ঠানে এমনটা ঘটেছে বলে শোনেননি কেউ। এমনকি বাংলা সিরিয়ালেও এমন নজির নেই।

ধারাবাহিকে দেখানো হয় সিঁদুরদানের মুহূর্তে তিতির হঠাৎ বলে বসে তার রঙে এলার্জি আছে। তাই তাকে যেন সিঁদুর না পরানো হয়। তাহলে বিয়েটা হবে কীভাবে? উপায় বলে দেয় তিতিরই। তার কথামত সিঁদুরের বিকল্প হিসেবে লিপস্টিক দিয়েই সিঁদুর দান হয়ে যায়। লিপস্টিকের রঙ দিয়েই তিতিরের সিঁথি ভরিয়ে দেয় লালন। আর এভাবেই নাকি বিয়েও হয়ে যায়।

এর আগে বহু বাংলা সিরিয়ালের উড়ন্ত সিঁদুর, মালাবদলের মাধ্যমে নায়ক-নায়িকার বিয়ে দেখানো হয়েছে। কিন্তু সিঁদুরের বদলে লিপস্টিক পরিয়ে বিয়ে দেখানো নিয়ে দর্শকদের একাংশ হেসে গড়াগড়ি খাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ এইভাবে বিয়ের রীতিনীতি নিয়ে ছেলে খেলা করা প্রসঙ্গে লেখিকাকে ধুয়েও দিচ্ছেন। গল্পের গরু গাছে তুলে দিয়ে দর্শকদের কাছে চূড়ান্ত সমালোচিত হচ্ছেন লেখিকা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে কেউ লিখছেন, “সত্যি সিরিয়ালটা খুব বাজে করে দিল। লালনের ন্যাকামো নেওয়া যাচ্ছে না আর।” কেউ লিখছেন, “যা তা হচ্ছে। গল্পের গরু গাছে, এসব সিরিয়ালেই হয়। একটা ছেলে কতবার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারে বাবা। ফালতু একদম।” কেউ বিরক্ত হয়ে লিখলেন, “বিয়েটা বোধ হয় ছেলে খেলা মনে করেন এরা”। তবে কেউ কেউ লীনা গাঙ্গুলীকে সমর্থন করে লিখলেন, ‘‘এটা তিতিরের চাল যাতে ফুলঝুরি আর লালনের বিয়ের সিঁদুর দান গোগলের মনে না পড়ে।” আসলে তিতির চায় না লালন তার স্মৃতি ফিরে পাক।