আগে বউ, পরে কাজ! মিঠাইয়ের জন্য বাতিল সিডের ট্রেকিং, বেজায় খুশি দর্শকরা

বউ আগে, ট্রেকিং পরে! মিঠাইয়ের সিদ্ধার্থের প্রেম দেখে বেজায় খুশি দাদু-ঠাম্মি

পুরোদস্তুর দুর্গাপুজোর আবহাওয়া চলছে মোদক বাড়িতে। পুজোর আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছে মোদক বাড়ির ফেমাস বৌমা মিঠাই (Mithai) রানী। পুজোর আয়োজন থেকে শুরু করে অতিথি আপ্যায়ন, একাই সবকিছু সামলাচ্ছে সে। তবে এত কাজের ফাঁকে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়ে মিঠাই। সে কথা জানামাত্রই উচ্ছে বাবু তার ট্রেকিংয়ের প্ল্যান ক্যানসেল করে।

ষষ্ঠীর রাতেই ট্রেকিংয়ে বেরিয়ে পড়ার কথা ছিল সিদ্ধার্থের। তবে মিঠাই অসুস্থ জেনে তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত বদল করে সিদ্ধার্থ। শুধু তাই নয়, মিঠাইকে জোর করে ওষুধ খাইয়ে বকে ঘুম পাড়িয়ে দেয় সে। সারারাত মিঠাইয়ের মাথার কাছে জেগে বসে থাকে। চমকের এখানেই শেষ নয়। পরদিন সকালে উঠেই মিঠাইয়ের সঙ্গে পুজোর কাজে হাত লাগায় সিদ্ধার্থ।

সকালে ঘুম থেকে উঠে পুজোর আয়োজন করতে লেগে পড়ে দুজনে। পুরোহিতের প্রয়োজনীয় যাবতীয় পূজার উপাচার নিয়ে আসে সিদ্ধার্থ। পুরোহিতকে পুজোর কাজে সাহায্য করছিল সে। এদিকে বাড়ির সকলে ঘুম থেকে উঠে সিদ্ধার্থকে দেখেই চমকে যায়। এমনকি তাকে পুজোর জায়গাতে পুরোহিতের সঙ্গে হাতে হাতে কাজ করতে দেখেও চমকে যায় সকলে। তবে এই দৃশ্য দেখে সকলেই খুশি হয়েছেন।

পূজা উপলক্ষে বাড়িতে এক ঝাঁক নতুন অতিথির আগমন হয়েছে। বাড়ির গমগমে পরিস্থিতিতে সিদ্ধার্থের মনের শান্তি উড়ে গিয়েছে। তাই সে একান্তে থাকার জন্য দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ট্রেকিংয়ে যাওয়ার প্ল্যান করেছিল। তবে মিঠাইকে অসুস্থ শরীরে বাড়ির সব কাজ করতে দেখে উচ্ছে বাবুর মত বদল হয়। বউকে একা এই অবস্থাতে ফেলে রেখে বাইরে চলে যেতে মন সায় দেয় না তার।

সিদ্ধার্থ ক্রমশ মিঠাইয়ের প্রতি দায়িত্ববান হয়ে উঠছে। কেবল মিঠাইয়ের কথা ভেবেই সে বাড়িতে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়। একটু একটু করে বদলে যাচ্ছে সিদ্ধার্থ। সিদ্ধার্থের মধ্যে এই বদল দেখে বাড়ির সকলে বেজায় খুশি। সিদ্ধার্থ যে শুধু মিঠাইয়ের কারণেই পুজোর সময় বাড়ী ছেড়ে যাওয়ার প্ল্যান ক্যানসেল করেছে, এতে দাদু, ঠাম্মি, পিসিরা বেজায় খুশি।