নীতা আম্বানির লিপস্টিকের দামেই মুম্বাইতে আস্ত ফ্ল্যাট কেনা যায়! দাম শুনলে আঁতকে উঠবেন

নীতা আম্বানির একটি লিপস্টিকের দামে চলে যাবে যে কারও সংসার, দাম শুনলে চমকে যাবেন

Nita Ambani uses world's most expensive lipstick price will shock you

ভারতের ধনীতম শিল্পপতি মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani) স্ত্রী নীতা আম্বানির (Nita Ambani) জনপ্রিয়তা বলিউড সেলিব্রিটিদের তুলনায় কিছু কম নয়। তার রূপ-সৌন্দর্য থেকে শুরু করে লাইফ-স্টাইল, ডায়েট, ফ্যাশন সবকিছুর উপরেই নজর রাখেন বহু মানুষ। মুকেশ আম্বানি বিখ্যাত তার ব্যবসায়িক বুদ্ধি এবং প্রভূত সম্পত্তির জন্য, অন্যদিকে মুকেশ-পত্নী তার বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য হামেশাই সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম দখল করেন।

নীতার জন্য দামী শাড়ি, দামী দামী গয়নায় ঠাসা মুম্বাইতে তাদের বাড়ি অ্যান্টালিয়ার একটি অংশ। সেই সঙ্গে তিনি যে ব্র্যান্ডের জিনিসপত্র তার ত্বকের জন্য ব্যবহার করেন সেগুলোও কিন্তু বাইরে থেকে আনানো হয়। এমনিতে বাজার চলতি কেমিক্যাল মিশ্রিত কোনও জিনিসই তিনি ব্যবহার করেন না। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি বিদেশি লিপস্টিক, কাজল, ক্রিম কিংবা অন্যান্য রূপসজ্জার সামগ্রীই শুধু ব্যবহার করেন নীতা, তা সে যতই দামী হোক না কেন।

নীতা আম্বানি ঠোঁটের জন্য যে লিপস্টিক ব্যবহার করেন, তার দামই আকাশ ছোঁয়া। হীরের চেয়েও দামি তার এক একটি লিপস্টিক। সাধারণত মহিলারা বাজার চলতি যেমন লিপস্টিক ব্যবহার করেন সেসবের দাম ৫০০-১০০০ এর মধ্যেই পাওয়া যায়। ২০০০ টাকার মধ্যে নামকরা প্রসাধনী সংস্থার ভাল মানের লিপস্টিক মেলে। তবে সেসব নাকি ছুঁয়েও দেখেন না নীতা।

ভারতের বাজার চলতি কোনও সামগ্রীই চুল, ত্বক কিংবা ঠোঁটের যত্নে ব্যবহার করেন না নীতা। যে লিপস্টিক দিয়ে তিনি ঠোঁট রাঙান সেটার আমদানি হয় বিদেশ থেকে। আর তার যে দাম তা সাধারণ মানুষ কল্পনাও করতে পারবেন না। নীতার একটি লিপস্টিকের দামেই মুম্বাইতে নাকি একটা আস্ত ফ্ল্যাট কেনা হয়ে যায়। লাখ পেরিয়ে প্রায় কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে নীতা আম্বানির লিপস্টিকের দাম।

নীতা বিশ্বের সবথেকে দামী লিপস্টিক ব্যবহার করেন। এরকম এক একটি লিপস্টিকের দাম শুরু হয় ৭০ লক্ষ টাকা থেকে। এত টাকা শুধু লিপস্টিকের পেছনে খরচ করার মত বিলাসিতা কেবল আম্বানিদের পক্ষেই সম্ভব! অবশ্য নিত্য প্রয়োজনীয় যা কিছুর জন্যই জলের দরে টাকা খরচ করেন নীতা আম্বানি। এমনকি জলের পেছনেও জলের দরেই টাকা খরচ করেন তিনি।

নীতা প্রতিদিন এক বিশেষ প্রকারের জল পান করেন যেটা বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। স্বর্ণভস্ম মেশানো থাকে সেই জলে। সেই সোনার ছাই মেশানো জলের একেকটি বোতলের দামই লাখ টাকার উপরে। এমনকি তার দিনের শুরু হয় যে চা দিয়ে তাও কেজি প্রতি লক্ষ টাকার উপরে বিক্রি হয়।