‘সিরিয়ালে কাজ করব না আর!’ ‘ভয়ংকর’ অভিজ্ঞতা জানিয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন ‘সহচরী’ কনীনিকা

‘শর্ত’ না মানলে সিরিয়ালে ফিরবেন না আর, কঠিন সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন কনীনিকা

স্টার জলসায় (Star Jalsha) অন্যতম একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ছিল ‘আয় তবে সহচরী’ (Aay Tobe Sohochori)। এই সিরিয়ালের হাত ধরে বহু বছর বাদে আবার ছোট পর্দায় ফিরেছিলেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Koneenica Banerjee)। ধারাবাহিকের গল্পটাও ছিল কুটকাচালি সিরিয়ালের থেকে একদম আলাদা। মধ্যবয়সী একজন মহিলার কলেজে পড়ার স্বপ্নপূরণ ও শাশুড়ি-বৌমার অসমবয়সী বন্ধুত্বের গল্প নিয়ে এমন সিরিয়াল আর কখনও তৈরি হয়নি।

প্রথম প্রথম এই সিরিয়ালটি বেশ ভালই প্রশংসা পেয়েছিল দর্শকদের। তবে প্রশংসা পেলে কি হবে? পরকীয়া না থাকার কারণে টিআরপি একেবারেই তলানিতে ঠেকেছিল। শেষমেষ সিরিয়ালের পাঁচ মাস অতিবাহিত হতেই গল্পে এল পরকীয়া। সেখান থেকে আর মূল গল্পে ফিরে যাওয়া হল না। টিআরপি বাড়ল ঠিকই, কিন্তু মানসিক চাপে অসুস্থ হয়ে পড়লেন অভিনেত্রী নিজেই।

Koneenica Banerjee

এর আগে একটি সাক্ষাৎকারে কনীনিকা বলেছিলেন তিনি যখন সিরিয়ালটিতে সাইন করেছিলেন তখন তার গল্প ছিল একেবারেই আলাদা। তবে কয়েক মাস যেতে না যেতেই টিআরপি তোলার জন্য পরকীয়া এল গল্পে। এটা মোটেই মেনে নিতে পারছিলেন না কনীনিকা। সম্প্রতি এই বিষয় নিয়ে তিনি আবারও মুখ খুলেছেন। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন সিরিয়ালে ফেরার বিষয়ে তার আগামী পরিকল্পনার কথা।

অভিনেত্রী বলেছেন, “প্রথম পাঁচ মাস ধারাবাহিক চিত্রনাট্য মেনে চলে। যেই টিআরপি তলানিতে ঠেকে তখনই গল্পের গরু গাছে ওঠে। ওভাবে কাজ করতে আর পারব না।’’ অভিনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন এই কারণেই নাকি টিভি সিরিয়ালে কাজ করার ইচ্ছেটা তার মনের মধ্যে মরে গিয়েছে। তিনি আর এভাবে কাজ করতে চান না। শর্ত না মানলে কাজ করবেন না আর, এবার তিনি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।

সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে কনীনিকা বলেছেন, “ছোট পর্দায় যদি আমায় নিতেই হয় তাহলে প্রযোজক পরিচালককে আমার শর্ত মানতে হবে, তারা আমার সঙ্গে সহযোগিতা করলে তবেই কাজ করার কথা ভাববো। না হলে ১২-১৪ ঘন্টা কাজ করার মত শারীরিক পরিস্থিতি আমার নেই, ছোট পর্দার পিছনে অত খাটব‌ও না আর।”

aye tobe sohochori

সিরিয়ালের শুটিং চলতে চলতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন কনীনিকা। যে কারণে তাকে সিরিয়ালটি মাঝপথে ছেড়ে দিতে হয়। তবে এতে অবশ্য তার নাকি শাপে বর হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসক জোড় হাতে এসে জানিয়েছিলেন তাদের জন্য আমার কাজ হাতছাড়া হয়ে গেল। আমি বলেছিলাম আপনাদের সহযোগিতায় রোজের অপছন্দের কাজ থেকে মুক্তি মিলল।’’