ফুলশয্যার রাতে স্ত্রীর সামনেই প্রেমিকার সঙ্গে যৌনসঙ্গম নায়কের! পরকীয়ায় লীনা গাঙ্গুলীকেও ছাড়িয়ে গেল ‘বোন’ একতা

স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা! লীনা গাঙ্গুলীর পর একতা কাপুরের সিরিয়াল দেখেও চোখ কপালে দর্শকদের

বাংলা সিরিয়ালে (Bengali Mega Serial) পরকীয়া দেখানো নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে মারমুখী জনতা। তবে পরকীয়া কি কেবল বাংলা সিরিয়ালেই আছে? ইদানিং লীনা গাঙ্গুলীর লেখা সিরিয়ালগুলোতে নায়ক-নায়িকার বারবার বিয়ে, বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, ডিভোর্স, পরকীয়া দেখতে দেখতে সিরিয়ালের উপর থেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন একাধিক দর্শক। অধিকাংশ দর্শকদের দাবি এখনকার বাংলা সিরিয়াল নাকি পরিবার নিয়ে বসে দেখা যায় না! তবে যত অশ্লীলতা তা কি কেবল এ যুগেরই?

ফুলশয্যার রাতে স্বামীর প্রেমিকার সম্পর্কে প্রথম জানতে পারলো স্ত্রী। শুধু তাই নয়, সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীর সামনেই প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হল লম্পট স্বামী! কিছু কী মনে পড়ছে এমন দৃশ্য কোথায় দেখেছিলেন? প্রায় ১৭ বছর আগে ২০০৫ সালে সোনিতে ‘ক্যায়সা ইয়ে পেয়ার হে’ (Kaisa Yeh Pyaar Hai) নামের একটি সিরিয়াল হত হিন্দি টেলিভিশনের পর্দায়। সেই সিরিয়ালের পরিচালনা করেছিলেন একতা কাপুর (Ekta Kapoor)। তিনি তার সিরিয়ালে ১৭ বছর আগে এমনই দৃশ্য দেখিয়েছিলেন।

অঙ্গদ এবং কৃপা, সিরিয়ালের নায়ক-নায়িকা। বিয়ের পর তাদের প্রথম রাতের সেই দৃশ্য দেখে এত বছর বাদে চোখ কপালে উঠছে নেটিজেনদের। অথচ এই বিকৃত দৃশ্য কিন্তু মা ঠাকুমাদের সঙ্গে শিশুরাও বসে দেখেছে একসময়। এত বছর বাদে সিরিয়ালের গল্পের এমন বিকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন দর্শকরা। ওই বিতর্কিত দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে আবার।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সদ্য বিবাহিতা কৃপা ফুলশয্যার ঘরে বসে তার স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছে। ওদিকে অঙ্গদ মদের নেশায় চুর হয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে ঘরে ঢোকে। স্বামীর কীর্তি দেখে কৃপা অবাক হয়ে যায়। দুজনকেই ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। এতে অঙ্গদ স্ত্রীকে বলে, “যা হবে, এই ঘরেই হবে। তোমার চোখের সামনে হবে।” এটা শুনে কৃপা ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে অঙ্গদ বলে বাইরে তার বাবা-মা রয়েছেন। লোকলজ্জার ভয়ে কৃপা বাইরে বেরিয়ে যেতেও পারে না।

স্বামী যখন তার প্রেমিকার সঙ্গে তারই সামনে ঘনিষ্ঠ হয় তখন ঘরের এক কোণে বসে কাঁদতে দেখা যায় কৃপাকে। এই দৃশ্য এখন ভয়াবহ ঠেকছে নেটিজেনদের কাছে। বাংলা কিংবা হিন্দি সিরিয়ালের অশ্লীলতা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তারা রীতিমত শকড ১৭ বছরের পুরনো এই সিরিয়াল দেখে! সেই সঙ্গে চূড়ান্তভাবে ট্রোল করা হচ্ছে একতা কাপুরকে। কেউ কেউ আবার মজা করে লিখছেন একতা যুগের থেকে অনেক এগিয়েছিলেন! তিনি ছিলেন দূরদর্শী!

এদিকে বাংলা সিরিয়ালের দর্শকরাও কিন্তু এই দৃশ্য দেখে ধুয়ে দিয়েছেন পরিচালকের রুচিকে। মজা করে কেউ কেউ লিখছেন একতা কাপুর আসলে বাংলার চিত্রনাট্যকার লীনা গাঙ্গুলীর ‘হারিয়ে যাওয়া বোন’! বর্তমানে লীনা গাঙ্গুলী যেমন ধূলোকণা, গুড্ডিতে নায়কের পরকীয়া দেখাচ্ছেন, তার ‘বোন’ একতা সেই পরম্পরা ১৭ বছর আগেই চালু করে দিয়েছিলেন!