কেন আজও অবিবাহিত তাব্বু, নিজের নামে কেন ব্যবহার করেন না কোনও পদবি 

ভালোবেসে করেছিলেন ভুল! ৫১ বছর নিজের নামে কোনও পদবি ব্যবহার করেন না তাব্বু

দেখতে দেখতে ৫০ পেরিয়ে ৫২ তে পা রাখলেন বলিউড তাব্বু (Tabu)। তার সমসাময়িক অভিনেত্রী যারা ছিলেন, আজ তারা প্রায় সকলেই নিজেদের বলিউড (Bollywood) থেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই আজ বিয়ে করে সংসারীও হয়েছেন। তবে তাব্বু বলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে সবার থেকে আলাদা। ৫০ পেরিয়েও চুটিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই সঙ্গে আজও সিঙ্গেলই রয়ে গেলেন বলিউডের এই সুন্দরী।

‘চাঁদনী বার’ থেকে ‘হায়দার’, কেরিয়ারে বরাবর চ্যালেঞ্জিং চরিত্র নিতে পিছিয়ে যাননি এই অভিনেত্রী। বলিউডের পাশাপাশি একটা সময় তিনি দক্ষিণেও চুটিয়ে কাজ করতেন। বলিউড হোক বা কলিউড, বরাবর অভিনয় জগতে নিজেকে ভেঙে চুরে আবার নতুন করে পর্দার সামনে উপস্থাপন করতে তার জুড়ি মেলা ভার। এত সুন্দরী এবং এত প্রতিভাবান অভিনেত্রী আজীবন সিঙ্গেল কেন থেকে গেলেন?

বলিউডের এই অভিনেত্রীর সঙ্গে কিন্তু একসময় ইন্ডাস্ট্রি তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্বদের নাম জড়িয়েছে। দিব্যা ভারতীর স্বামী সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গেও একসময় তার ঘনিষ্ঠতার খবর প্রচার হয়ে গিয়েছিল। বেশ কয়েক বছর সম্পর্কে থাকার পর তাব্বু বুঝতে পারেন সাজিদ কখনও দিব্যাকে ভুলতে পারবেন না। তাই তিনি সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন।

এরপর তিনি দক্ষিণের সুপারস্টার নাগার্জুনের সঙ্গেও তাব্বুর সম্পর্কের খবরে উত্তাল হয়ে ওঠে সিনেপাড়া। তাদের এই সম্পর্ক দীর্ঘ ১০ বছর টিকে ছিল। কিন্তু নাগার্জুন ছিলেন বিবাহিত। তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে তাব্বুর সঙ্গে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাননি। অতএব এই সম্পর্কের পরিণতিও হয় বিচ্ছেদ। এরপর থেকে একাই রয়েছেন তাব্বু।

তবে তিনি কেন সিঙ্গেল এই বিষয়ে একবার খুব মজার একটি উত্তর দিয়েছিলেন তিনি। তিনি তার বন্ধু অজয় দেবগণকে নিয়ে বলেছিলেন যখনই তিনি কোনও সম্পর্কে জড়াতেন, অজয় গিয়ে তার প্রেমিককে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসতেন! ৯০ এর দশকে অজয়-তাব্বু অভিনীত ‘বিজয় পথ’ দারুণ হিট হয়। তাদের জুটিটাকে বেশ পছন্দ করেছিলেন দর্শকরা। সামনেই মুক্তি পেতে চলেছে তাদের অভিনীত সুপারহিট ছবির ‘দৃশ্যম’ এর সিকুয়েল ‘দৃশ্যম ২’।

তাব্বু কোনদিনই ইন্ডাস্ট্রিতে তার সম্পূর্ণ নাম ব্যবহার করেননি। তার আসল নাম অনেকের কাছেই অজানা। তার আসল নাম হল তবস্সুম ফাতিমা হাশমি। তবে তিনি তার বাবার পদবী ব্যবহার করতে চান না। তার বয়স যখন মাত্র তিন বছর তখনই তার বাবা তাদের ছেড়ে চলে যান এবং অন্য মহিলার সঙ্গে সংসার পাতেন। যে কারণে বাবা কিংবা বাবার পদবীর প্রতি কখনও টান অনুভব করেননি তিনি। সেই থেকে নামের পাশে পদবী ব্যবহারের প্রয়োজনও বোধ করেন না তিনি।