‘২ বছরে কী শিখেছিস’, প্রশ্নের উত্তরে স্কুলের দিদিমণিকে ‘কাঁচা বাদাম’ গেয়ে শোনালো ছাত্র

Riya Chatterjee

Published on:

করোনার কারণে গত ২ বছর ছোটদের স্কুল জায়গা বন্ধ। বাড়িতে থেকে অনলাইনে চলছে ক্লাস। যাদের সেই সুযোগ নেই, তাদের বলতে গেলে পড়াশোনার সঙ্গে এক প্রকার সম্পর্ক চুকেছে। তবে ছোটদের জন্য রাজ্য সরকারের নতুন পদক্ষেপ, খুলে গিয়েছে ‘পাড়ায় শিক্ষালয়’। সরাসরি স্কুলে না হলেও, ২ বছর পর ফের স্কুলের দোরগোড়ায় ফেরা। গত ২ বছরে কী কী শিখেছে তারা? পড়ুয়ার শিক্ষার বহর দেখে চোখ কপালে শিক্ষিকার!

‘পাড়ায় শিক্ষালয়’ এ পড়ুয়াদের নিয়ে শুরু হয়েছে পাঠদানের প্রস্তুতি। সেখানেই পড়তে গিয়েছিল এক খুদে। শিক্ষিকা তার কাছে জানতে চান সে এই ২ বছর বাড়িতে থেকে কী কী শিখেছে। জবাবে পড়ুয়া যা শোনালো তাতে কার্যত মাথায় হাত শিক্ষিকার। ‘পাড়ায় শিক্ষালয়’ এ এসে খুদে শোনালো ‘বাদাম কাকু’র ভাইরাল ‘কাঁচা বাদাম’ (Kacha Badam) গান। বাড়িতে থেকে সে এই গান শিখেছে। তাই গানটাই শিক্ষিকাকে শুনিয়ে দিয়েছে সে। এতে আবাক হয়ে যান ওই শিক্ষিকা। পাড়ায় শিক্ষালয়ে অন্যান্য পড়ুয়াদের মধ্যে তখন হাসির রোল উঠেছে।

শিক্ষিকা এই ভিডিওটিকে ক্যামেরাবন্দি করে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে দিয়েছেন। ১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের ভিডিওটি এখন ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। লাইক-কমেন্টের বন্যা বইছে। ওই ছাত্রের নাম কিংবা পরিচয় জানা যায়নি। তবে তার গান উপভোগ করছেন সকলে। কারও কারও মতে, লকডাউনে স্কুল বন্ধ থাকার প্রভাব শিশুদের মধ্যে বেশ ভালোমতোই টের পাওয়া যাচ্ছে। শিশুদের শিক্ষার মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন নেটিজেনরা।

উল্লেখ্য, এর আগে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছিল বাংলার কোনও এক স্কুলের চিত্র, যেখানে দেখা যায় অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া ‘অ আ ক খ’ শিখছেন! ২ বছর স্কুল বন্ধ থাকায় পড়ুয়াদের দুর্দশার জ্বলন্ত উদাহরণ এই দৃশ্য। এবার এই খুদে পড়ুয়ার এই মজার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হল। যদিও নেটিজেনরা অবশ্য ভিডিওটি নিতান্ত মজার ছলে নিচ্ছেন না। তবে খুদের গান উপভোগ করছেন নিঃসন্দেহে।

বীরভূমের দুবরাজপুরের সাধারণ এক বাদাম বিক্রেতা ফেরিওয়ালা বিক্রির সময় প্রচারের উদ্দেশ্যে নিজে থেকে বেঁধেছিলেন একটি গান। তার সেই ‘কাঁচা বাদাম’ গান এখন সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডিং। দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে তার খ্যাতি। আট থেকে আশি, ‘কাঁচা বাদাম’ এই মেতে রয়েছেন সকলে। এই শিশুটিও রপ্ত করে ফেলেছে সেই গান। ভাইরাল সেই ভিডিও দেখুন এই প্রতিবেদনে।