শুধু টলিউড নয় বলিউড এমনকি দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেও এখন বেশ জনপ্রিয় মুখ তিনি। বেশ কয়েক বছর আগেই তার নামের পাশে জাতীয় তারকার তকমা বসেছে। তিনি শাশ্বত চ্যাটার্জী। শুভেন্দু চ্যাটার্জীর ছেলে, নিজেও এত বড় মাপের অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও শাশ্বতকে আজ পর্যন্ত কখনও বিলাসিতা করতে দেখা যায়নি। দামি গাড়ি কিংবা বাড়ির পেছনে ছোটেননি তিনি। অথচ ইদানিং ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই অভিনেতা কিংবা অভিনেত্রীরা এইসব বড়লোকিয়ানা দেখাচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্যে করে মুখ খুললেন অভিনেতা।
নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের উদ্দেশ্যে শাশ্বত বক্তব্য এরা স্টারডম ধরে রাখার জন্য সব দিকে হাত বাড়াতে যাচ্ছেন। যার ফলে এদের কেরিয়ার কোনও দিকেই ঠিকভাবে এগোতে পারছে না। সাময়িকভাবে সাফল্য পাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু তা ধরে রাখতে পারছেন না। আবার এখনকার প্রজন্মের মধ্যে শিষ্টাচার এবং শিক্ষার অভাবও টের পান শাশ্বত। আর যেটা তিনি লক্ষ্য করেছেন সেটা হল বড়লোকি স্বভাব দেখানো এবং নিজের বড়াই করা। যে শিক্ষা তিনি তার বাবা কিংবা ঠাকুরদার থেকে পাননি।
আরও পড়ুন : মেয়েরাই চোখের মণি! আলাপ করুন শাশ্বত চ্যাটার্জীর দুই মেয়ের সঙ্গে
আরও পড়ুন : মিমি-কোয়েল থেকে শ্রাবন্তী-শুভশ্রী! ছোটবেলায় কেমন দেখতে ছিলেন টলিউডের নায়িকারা?
শুভেন্দু বলেছেন তিনি তার পরিবারের থেকে বিলাসিতা বা নিজের বড়াই করার শিক্ষা নয়, বরং সঞ্চয়ের শিক্ষা পেয়েছেন বরাবর। তিনিও তাই সেই শিক্ষাই দিতে চান তার পরের প্রজন্মকে। আগে নিজেকে আর্থিকভাবে নিরাপদ করাটা সব থেকে জরুরী। যাতে ভবিষ্যতে বাজে কিংবা অনিচ্ছাকৃত কাজ না করতে হয়। একজন অভিনেতার ‘না’ বলার ক্ষমতা থাকা সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। তিনি নিজের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন ২০০৬ সালে তিনি একটি অল্টো গাড়ি কিনেছিলেন। সেই গাড়ি ২০১৩ পর্যন্ত চলেছিল তার। অনেকেই এই নিয়ে তাকে কটাক্ষ করেছেন, হাসাহাসি করেছেন। কিন্তু সেসবে পাত্তা দেননি অভিনেতা।