TRP-এর লোভে গল্প চুরি, ‘মিঠাই’ সিরিয়ালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে নেটপাড়া

জি বাংলার (Zee Bangla) ‘মিঠাই’ (Mithai) সিরিয়াল (Bengali Mega Serial) টিআরপিতে ফের তার হৃত গৌরব ফিরে পেয়েছে। অবশ্য আবার টিআরপি টপার হওয়ার মত ভাগ্য ফেরেনি বটে কিন্তু একসময় যেরকম মিঠাই সেরা দশের তালিকা থেকে ছিটকে গিয়েছিল সেই দুর্দশা কাটিয়ে উঠেছে অনেকটাই। এখন মিঠাইয়ের টিআরপি বেশ ভালই সেই সঙ্গে স্লট লিডারও হচ্ছে।

মিঠাই সিরিয়ালের গল্প এখন নতুন খাতে বইছে। এখন মিষ্টি এবং মিঠাইকে নিয়ে গল্প যে গতিতে এগোচ্ছে তা থেকে নজর সরাতে পারছেন না দর্শকরা। কিন্তু এরই মাঝে আবার মিঠাই সিরিয়ালের বিরুদ্ধে তিনটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকের গল্প চুরি করার অভিযোগ উঠল। দর্শকদের অভিযোগ মিঠাই নাকি স্টার জলসা এবং জি বাংলার সিরিয়াল কপি করে চলছে।

mithai

বর্তমানে সিরিয়ালে দেখানো হচ্ছে মোদক পরিবারের সকলে মিঠাইয়ের স্মৃতি ফেরানোর জন্য চেষ্টা করছে। এদিকে মিঠাই আবার তার মেয়ে মিষ্টিকে নিয়ে পালিয়ে যেতে চাইছে দূরে। কিন্তু পথে সিদ্ধার্থ তাদের ধরে ফেলে এবং এক প্রকার জোর করে মনোহরাতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এদিকে গল্প যেভাবে এগোচ্ছে সেটা দেখে দর্শকদের একাংশ অভিযোগ করছেন সিরিয়ালটি নাকি স্টার জলসার গাঁট ছড়াকে কপি করছে।

দেবীপুরের জঙ্গলে গিয়ে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে খড়ি স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছিল। তারপর থেকে ঋদ্ধিমান তার স্মৃতি ফেরানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। ঠিক একই ঘটনা দেখানো হচ্ছে মিঠাইতেও। শুধু তাই নয়, জি বাংলার আরেকটি পুরনো সিরিয়ালের গল্প চুরি করার অভিযোগ রয়েছে মিঠাইয়ের বিরুদ্ধে। ‘কৃষ্ণকলি’ সিরিয়ালে শ্যামা যেভাবে নিজের স্মৃতি হারিয়ে শ্বশুর বাড়িতে আবার ফিরে এসে ঘোমটা টেনে বেড়াতো মিঠাই ঠিক সেরকমই করছে।

mithai

এখানেই শেষ নয়, মিঠাই নাকি টিআরপির লোভে বর্তমানে বাংলার টপার ‘অনুরাগের ছোঁয়া’ সিরিয়ালকেও নকল করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুরাগের ছোঁয়াতে সোনা এবং রূপাকে নিয়ে গল্প শুরু হতেই টিআরপি হু হু করে বেড়েছে। ছোটদের নিয়ে গল্পের নতুন মোড় দর্শকরা পছন্দ করেছেন। আবার মিঠাইতেও শাক্য এবং মিষ্টি আসার পর থেকে টিআরপি বেড়েছে।

mithai

যদিও মিঠাই ভক্তরা এইসব দাবি মানতে রাজি নয়। কিন্তু একথাও ফেলে দেওয়ার মত নয় যে মিঠাই সিরিয়াল থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রদের বাদ দিয়ে গল্প এখন শুধুই টিআরপি নির্ভর হয়ে উঠেছে। সমরেশ, অমরেশ, অপা, স্যান্ডি, পিঙ্কিজিরা বহুদিন আগেই বাদ পড়েছে গল্প থেকে। দাদু, রুদ্র এবং রাতুলদের খুব কম দেখা যায় এখন।