ঐশ্বর্য-সুস্মিতাকে গুনে গুনে দশ গোল দিয়ে বিশ্বসেরা সুন্দরী খেতাব পেলেন এই বলিউড নায়িকা

ঐশ্বর্যও নন, সুস্মিতাও নন, বিশ্বসেরা ১০ সুন্দরীর তালিকায় জায়গা পেলেন এই বলিউড নায়িকা

সৌন্দর্যের কোনও মাপকাঠি হয় কি? একজনের চোখে যা কিছু সুন্দর অন্যজনের চোখে তা সুন্দর নাও হতে পারে। এই জন্যই তো বলে সৌন্দর্যের কোনও মাপকাঠি হয় না। তবে বিজ্ঞানের কাছে অসম্ভব কিছুই নয়। তাই আজ থেকে বেশ কয়েক বছর আগে সৌন্দর্যের মাপকাঠি আবিষ্কার করে ফেলেন জুলিয়ান ডি সিলভা নামের চিকিৎসক।

জুলিয়ান ডি সিলভা সৌন্দর্যের যে মাপকাঠি আবিষ্কার করেছিলেন তার নিরিখে বছরের পর বছর ধরে বিশ্বসেরা সুন্দরীদের সৌন্দর্যের পরিমাপ হয়ে আসছে। এটি আসলে ছিল একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এই কম্পিউটার প্রোগ্রাম নির্দিষ্ট মাপকাঠির নিরিখে সেরা সুন্দরী এবং সুদর্শন পুরুষ চিহ্নিত করতে পারেন। এই মাপকাঠির বিচারে এই বছর সেরা ১০ সুন্দরীর (10 Best Beautiful Women In World) মধ্যে বলিউডের (Bollywood) কেবল একজন অভিনেত্রী জায়গা করে নিতে সমর্থ হয়েছেন। তিনি দীপিকা পাড়ুকোন (Deepika Padukone)।

ভারতের সেরা সুন্দরী যদি বলা হয় তাহলে প্রথমেই সকলের মাথায় ঘুরবে ঐশ্বর্য রাই থেকে সুস্মিতা সেনদের নাম। কিন্তু না, বিজ্ঞানের দ্বারা আবিষ্কৃত সৌন্দর্যের মাপকাঠি বলছে অন্য কথা। এই মাপকাঠির নিরিখে যোগ্য নন ঐশ্বর্য-সুস্মিতারা। তাদের চেহারা নাকি ততটা সুন্দর নয় যতটা বিশ্বের ১০ সেরা সুন্দরী হওয়ার জন্য প্রয়োজন। তবে আশার কথা, বলিউডের এক নায়িকা কিন্তু এই তালিকাতে জায়গা করে নিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে বলিউডে কে এমন সুন্দরী দিয়েছেন যিনি ঐশ্বর্য, সুস্মিতা সেনদের থেকেও বেশি ভাল দেখতে? তিনি আর কেউ নন, দীপিকা পাড়ুকোন। জুলিয়ান ডি সিলভা আবিষ্কৃত কম্পিউটার প্রোগ্রাম দীপিকার মুখাবয়ব পরীক্ষা করে দেখেছে এবং তাকে ২০২২ সালের সেরা ১০ সুন্দরীর মধ্যে ১০ নম্বর স্থানে রেখেছে।

এইভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে সেরা সুন্দরীদের বেছে নেওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় ফাই। শরীরের আকৃতির বিচারে ‘গোল্ডেন রেশিও’ দিয়ে এই পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। সিলভার দাবি, এই পদ্ধতিটি নাকি বেশ প্রাচীন। প্রাচীন গ্রিসে মেয়েদের সৌন্দর্য এইভাবেই বিচার করা হত। সেই পদ্ধতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিজ্ঞান। যার নিরিখে ভারতীয় সুন্দরীদের মধ্যে এগিয়ে আছেন দীপিকা পাড়ুকোন।

Deepika Padukone HD Wallpaper

শুধু চেহারা নয় আলাদা করে মুখের সৌন্দর্যের পরিমাপ করে ফাই পদ্ধতি। কোনও মেকআপ বা কসমেটিকস ছাড়া একজনকে কেমন দেখতে লাগবে, তার সেই চেহারা অন্যদের চোখে কতটা ভাল লাগতে পারে সবটাই বিচার করতে পারে এই প্রোগ্রাম। মুখ এবং চেহারার সার্বিক বিচারেই সেরা সুন্দরীদের নির্বাচন করে বিজ্ঞান নির্ভর এই পদ্ধতি।