পর্দার প্রেম গড়িয়েছে বাস্তবেও, বাস্তবে প্রেম করছেন বরণ সিরিয়ালের এই ৪ তারকা

Riya Chatterjee

Published on:

স্টার জলসায় (Star Jalsha) একসময় সম্প্রচারিত হত বরণ (Boron) সিরিয়ালটি। এই সিরিয়ালটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে প্রায় এক বছর আগে। কিন্তু ধারাবাহিকটিকে‌ এখনও বেশ পছন্দ করেন দর্শকরা। এই সিরিয়ালের নায়ক-নায়িকার জুটিটাকে পর্দাতে এখন মিস করেন তারা। যদিও ইন্দ্রানী পাল এবং সুস্মিত মুখার্জী দুজনেই কিন্তু বরণ শেষ হওয়ার পর নতুন নতুন সিরিয়ালে ফিরেছেন।

‘বরণ’ ধারাবাহিকের দর্শকরা শুধু যে এই সিরিয়ালের নায়ক-নায়িকাকেই পছন্দ করতেন তেমনটা নয়। সিরিয়ালের অন্যান্য কলাকুশলীরাও ছিলেন যথেষ্ট দক্ষ এবং জনপ্রিয়। আজ এই প্রতিবেদনে এই ধারাবাহিকের এমন কিছু চরিত্রাভিনেতাদের উল্লেখ রইল যারা বাস্তব জীবনে সত্যি সত্যিই প্রেম করছেন।

BORON 1

বিনোদন জগত সূত্রে খবর, ‘বরণ’ সিরিয়ালের চারজন অভিনেতা এবং অভিনেত্রী নাকি বাস্তব জীবনে প্রেম করছেন। যাদের মধ্যে এই সিরিয়ালের নায়ক সুস্মিত মুখার্জীও রয়েছেন। এছাড়াও সিরিয়ালের নায়ক রুদ্রিকের বোন, নায়িকা তিথির প্রাক্তন প্রেমিক ও রুদ্রিকের ছোটবেলার বান্ধবী নায়রাও রয়েছেন। বাস্তব জীবনে এরা কে কার সঙ্গে প্রেম করছেন জানেন?

‘বরণ’ ধারাবাহিকের নায়ক রুদ্রিক ওরফে সুস্মিত মুখার্জী প্রেম করছেন পর্দায় তার ছোটবেলার বান্ধবী তথা প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গেই। অর্থাৎ নায়রা এবং রুদ্রিকের প্রেম পর্দায় বাস্তবায়িত না হলেও বাস্তবে কিন্তু সুস্মিত ও প্রিয়া মন্ডলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক দানা বেঁধেছে বলে শোনা যাচ্ছে। তাদের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিতে।

SUSMIT MUKHERJEE AND PRIYA MONDAL

এরপরের জুটি হলেন অনন্যা বিশ্বাস এবং রাজা কুন্ডু। ‘বরণ’ ধারাবাহিকে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তারা। অনন্যা রুদ্রিকের বোনের চরিত্রে অভিনয় করেন। বর্তমানে তাকে ‘নবাব নন্দিনী’ সিরিয়ালে খলনায়িকা চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে। বাস্তবে তিনি যার সঙ্গে প্রেম করছেন তার নাম রাজা কুন্ডু। তিনি সিরিয়ালের নায়িকা তিথির প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

ANANYA BISWAS AND RAJA BISWAS

বরণ শেষ হওয়ার পর নবাব নন্দিনী সিরিয়ালে অভিনয় করতে শুরু করেন নায়িকা ইন্দ্রাণী পাল। সুস্মিতার পর শেখ রেজওয়ান রাব্বানীর সঙ্গেও তার জুটিটা বেশ পছন্দ করছেন দর্শকরা। সুস্মিত মুখার্জীও কিছুদিন আগে মাধবীলতা সিরিয়ালে অভিনয় করছিলেন। কিন্তু সিরিয়ালটি মাত্র তিন মাসের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়।