বাস্তবে কার সাথে প্রেম করছে মিঠাই, রচনার কাছে প্রেমিকের পরিচয় ফাঁস করলেন সৌমিতৃষা

উচ্ছেবাবু নয়, মিঠাইয়ের মনের মানুষ আসলে কে, প্রেমিকের পরিচয় ফাঁস করলেন সৌমিতৃষা

আর মাত্র কয়েকটা ঘন্টার অপেক্ষা, লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে দিদি নাম্বার ওয়ানে (Didi Number One) প্রথমবারের জন্য এসে হাজির হচ্ছে গোটা মিঠাই (Mithai) পরিবার। এই উৎসবের দিনটিকে আরও বেশি স্পেশাল করে তোলার জন্য সৌমিতৃষা কুন্ডু (Soumitrisha Kundu), কৌশাম্বী চক্রবর্তী, দিয়া মুখার্জি এবং ঐন্দ্রিলা সাহা দিদি নাম্বার ওয়ানের মঞ্চ মাতাতে আসছেন। তাদের সঙ্গে থাকছেন সিদ্ধার্থ ওরফে আদৃত রায়ও।

আড্ডা, গল্পে, হাসি-ঠাট্টার মধ্যে জমজমাট ১ ঘন্টার পর্বে মিঠাই রানীর থেকে তার পেটের কথা বের করে আনবেন রচনা ব্যানার্জী। এই মঞ্চে এসেই ফাঁস হয়ে গেল মিঠাইয়ের মনের মানুষের নাম। টিভির পর্দায় উচ্ছে বাবুকে চোখে হারায় মিঠাই। অফস্ক্রিনে সৌমিতৃষার মনের মানুষ কে? এই প্রশ্ন বহুদিন ধরেই ঘোরাফেরা করছে ভক্তদের মনে। অবশেষে প্রেমিকের পরিচয় ফাঁস করলো মিঠাই রানী।

বাস্তবে সৌমিতৃষার মনের মানুষের পরিচয় নিয়ে অনেক জল্পনা রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। কারও কারও ধারণা ধারাবাহিকে সহ অভিনেতা আদৃত রায়কেই নাকি মনে মনে পছন্দ করে মিঠাই! যদিও এই জল্পনা মোটেও পাত্তা দেননি আদৃত বা সৌমিতৃষা। আদৃতের মনের মানুষ নাকি মিঠাইয়ের শ্রীনন্দা ওরফে কৌশাম্বী! এমন জল্পনাও রয়েছে স্টুডিওপাড়াতে।

এদিকে মিঠাইরানীর ছেলে বন্ধুদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা দেখেও অনেকে তাদের নিয়ে সন্দেহ করে থাকেন। কিছুদিন আগেই গাঁটছড়ার কুনাল ওরফে অভিনেতা রিয়াজ লস্করের সঙ্গে সৌমিতৃষার ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হতে দেখেও ভক্তদের মধ্যে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে নিজের মুখেই মনের মানুষের নাম রচনা ব্যানার্জীকে জানিয়েই দিলেন সৌমিতৃষা।

ভ্যালেন্টাইন ডে’তে যে মিঠাইকে পাহাড়ে টি গার্ডেনে নিয়ে গিয়ে বাথটবের মধ্যে শুইয়ে ফুল দিয়েছে, শিফন শাড়ি পরিয়েছে, ‘তেরে মেরে’ গানে তার নাচের শখ পূরণ করে দিয়েছে, সৌমিতৃষার মনের মানুষ সে। আর কেউ নয়, অভিনেত্রীকে এই সুযোগ করে দিয়েছে জি বাংলা। তাই জি বাংলাকেই নিজের মনের মানুষ বলে পরিচয় দিয়েছেন সৌমিতৃষা।

এরপর রচনা ব্যানার্জীর প্রশ্নের জবাবে সৌমিতৃষা বলেছেন তার প্রেমিককে যে রান্না জানতে হবে এমন কোনও ক্রাইটেরিয়া তার নেই। তবে তাকে সবসময় প্যাম্পর করতে হবে এবং ভালোবেসে আগলে রাখতে হবে। অভিনেত্রী জানিয়েছেন টিভিতে মিঠাইকে কাজে যতটা চটপটে দেখানো হয় বাস্তবে তিনি তার উল্টো। তার সব কাজেই তিনি মায়ের উপর নির্ভরশীল। মাকে ছাড়া তার জীবন অন্ধকার। তাই মনের মানুষ যে হবেন মিঠাই রানীকে আগলে রাখতে হবে তাকেই।