স্রেফ বাতকর্ম করে ১৮ লক্ষ টাকা উপার্জন করেন এই মার্কিন মহিলা

অর্থ উপার্জনের জন্য মানুষ কত কিছুই না করেন। এই ভার্চুয়াল মিডিয়ার যুগে নাচে, গানে, কবিতায়, অভিনয়ে কিংবা নিজের অন্যান্য দক্ষতা যেমন রান্নাবান্নার পরিচয় দিয়ে কিংবা মজার ভিডিও বানিয়ে বাড়িতে বসে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করেন বহু মানুষ। তাদের সাহায্য করার জন্য ইউটিউব (YouTube) একটি বড় প্ল্যাটফর্ম। ইউটিউবে কত রকমের কনটেন্টে ভিডিও শেয়ার করে থাকেন ইউটিউবাররা।

তাই বলে ক্যামেরার সামনে বায়ু নিঃসরণ (Fart) করেও যে ইউটিউবের কনটেন্ট বানানো যেতে পারে, এই আইডিয়া এর আগে কারোর মাথায় এসেছিল কি? মার্কিন নাগরিক লুশ বোটানিস্ট (Lush Botanist) কিন্তু এই পন্থাই অবলম্বন করেছেন! বাতকর্মের উপর ভিডিও তৈরি করেন লুশ। সেই ভিডিও দেখার জন্য আবার মুখিয়ে বসে থাকেন বহু মানুষ!

অনলাইনে বাতকর্ম করার দরুণ ইতিমধ্যেই বেশ ফেমাস হয়ে গিয়েছেন তিনি। ইউটিউব থেকে তার উপার্জনের অঙ্কটাও কিন্তু তাক লাগাবে। ভারতীয় মূল্যে ১৮ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ উপার্জন করে থাকেন লুশ! তাও আবার স্রেফ বায়ুনিঃসরণের ভিডিও ইউটিউবে শেয়ার করে। শুনতে অবাক লাগলেও, এটাই এখন লুশ বোটানিস্টের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পৃথিবীতে এত পেশা হঠাৎ এই পেশার প্রতি এত আগ্রহ কেন জন্মালো লুশের? আসলে লুশ বোটানিস্ট একজন অ্যাডাল্ট স্টার। একবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন তার পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে এই ধরনের ভিডিও বানানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, বাতকর্ম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভাবনা চিন্তা করারও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। সেই পরামর্শ বিবেচনা করে বাতকর্ম নিয়েই ভিডিও বানানোর সিদ্ধান্ত নেন লুশ।

তার সেই সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণিত হয়। বর্তমানে তিনি ইউটিউবের স্বঘোষিত ‘ফার্ট ক্যুইন’! তবে তিনি যখন প্রথম এই কাজ শুরু করার কথা ভাবছিলেন তখন তার পক্ষে বিষয়টি এতটাও সহজ ছিল না। বাতকর্ম বিষয়টি সাধারণের কাছে অত্যন্ত অস্বস্তিজনক এবং লজ্জাকরও বটে। বেশিরভাগ মানুষই এই নিয়ে হাসি-ঠাট্টা করে থাকেন। তবে লুশের কাছে বিষয়টি এখন একেবারে স্বাভাবিক।

বাতকর্মের উপর ভিডিও বানানোর জন্য নিজের ডায়েটের উপর বিশেষ নজর দেন লুশ। প্রধানত পনির এবং দুগ্ধজাত খাবার থাকে তার ডায়েটে। একটি ‘আদর্শ বাতকর্ম ভিডিও’ বানাতে তাই বেশ খরচ হয় তার। তবে ভিডিও ইউটিউবে শেয়ার করার পর তা থেকে তিনি তার প্রয়োজনীয় অর্থ তুলে নেন। এরকম এক একটি ভিডিও কিছু ইউটিউব থেকে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন লুশ।