রক্তের সম্পর্কের কেউ নয়! ৩০০০ কোটির সম্পত্তি কাকে দিয়ে যাবেন সালমান খান?

রক্তের সম্পর্কের কেউ নয়! সম্পত্তির একটা বড় অংশ লিখে দিলেন সালমান খান, জানেন তিনি কে?

৫৯ বছরে পদার্পণ করলেন সালমান খান (Salman Khan)। এখনো একের পর এক সিনেমা এবং সঞ্চালনার দায়িত্ব যেভাবে তিনি সামলাচ্ছেন তাতে ভাইজানের গাড়ি যে এখনই থামবে না তা বেশ বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এত প্রাচুর্য এবং ঐশ্বর্য (Net Worth) কাকে দিয়ে যাবেন অবিবাহিত সালমান? সালমানের অবর্তমানে কি হবে এই অর্থের? জানুন।

৫৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো অবিবাহিত সালমান। নেননি কোন সন্তান দত্তকও। যদিও ভাই বোন এবং তাদের সন্তানদের নিয়ে সালমান খানের পরিবার বেশ জমজমাট। কিন্তু ভাইজানের এত বিশাল পরিমাণ অর্থের ভাগীদার হবেন কে? কাকে দিয়ে যাবেন তিনি তার অর্থ? তার আগে জেনে নিই সালমানের কাছে আছে ঠিক কত টাকার সম্পত্তি।

Salman Khan

কোটি কোটি টাকার মালিক হলেও বাবা এবং মায়ের সঙ্গে মুম্বাইয়ের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন সালমান। গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট ছাড়াও মহারাষ্ট্রের পনভেলে ১৫০ একর এলাকা জুড়ে একটি খামারবাড়ি রয়েছে ভাইজানের যেখানে প্রায়ই ছুটি কাটাতে যান তিনি। এই খামার বাড়িতে রয়েছে সুইমিং পুল থেকে জিম সবকিছুই। অত্যাধুনিক আসবাবপত্রের ঠাসা এই খামারবাড়িতেই মহামারীর সময় বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছিলেন ভাইজান।

Salman Khan

২৯০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক সালমান খানের এই খামারবাড়িটির নাম অর্পিতা হাউস। এই খামার বাড়িতে সালমান খান ছুটি কাটাতে গেলেও এই খামারবাড়িটি কিন্তু রয়েছে অর্পিতার নামেই। সেলিম খান এবং সালমান খানের দত্তক কন্যা অর্পিতার প্রতি ভাইজানের যে কতটা ভালোবাসা রয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, আর তাই সকলের সম্মতিতেই এই কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক করা হয়েছে অর্পিতাকে।

আরও পড়ুন : বিশ্বের এই ৫টি দামী জিনিস রয়েছে আমিতাভ বচ্চনের? দাম শুনলে ঘুরে যাবে মাথা

ARPITA KHAN

আরও পড়ুন : মাসে কত টাকা বেতন পান মুকেশ আম্বানি? শুনলে হাঁ হয়ে যাবেন আপনি

তবে খামারবাড়িটি অর্পিতার নামে থাকলেও ভাইজানের সম্পত্তির প্রায় সবটাই ট্রাস্টে দিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন সালমান খান। এই মুহূর্তে সালমানের বার্ষিক আয় ২২০ কোটি টাকা, সামনে রয়েছে আরও বিগ বাজেটের সিনেমা। ৬০ বছরের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়ালেও ভাইজান এই মুহূর্তে থামতে চান না, তার লক্ষ্য আরো অনেক দূর। তবে তিনি তার উপার্জনের বেশিরভাগ অংশই নিজের ভাইপো এবং ভাগ্নে ভাগ্নিদের চাহিদা মেটানোর জন্যই উৎসর্গ করে দেন। এছাড়া তিনি তার আয়ের একটা বড় অংশ সমাজসেবামূলক কাজে এবং অনুদান হিসেবে দিয়ে থাকেন।