কোন বয়সের বাচ্চাদের কখন মাস্ক পরতে হবে? নতুন গাইডলাইন দিল WHO

সংক্রমণ রোখার জন্য বর্তমানে মাস্ক পড়া অত্যন্ত জরুরি। তবে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ছোট বাচ্চা বা যাদের বয়স ১২ বছরের বেশী তাদের মধ্যে মাস্ক পড়ার প্রবণতা অনেকটাই কম। এবার মাস্ক পড়া নিয়ে গত ২ আগস্ট নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নতুন একটি গাইডলাইন জারি করল WHO

সন্তানের বয়স কি ১২ বছর? কিংবা তার বেশি? তবে অবশ্যই সেও যেন প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক পরে। সম্প্রতি এমনই গাইডলাইন জারি করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বাচ্চার বয়স ১২ বছরের কম হলে আবার নিয়ম অন্য।

WHO-এর নতুন গাইডলাইন

আগে WHO এর তরফ থেকে মাস্ক ব্যাবহার সম্পর্কে গাইডলাইন প্রকাশ করা হলেও আলাদা ভাবে বয়স হিসেবে কোনো আলাদা গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়নি। তবে এবার আলাদা আলাদা ভাবে বয়স ভিত্তিক গাইডলাইন প্রকাশ করলো WHO

১. ১ থেকে ৫ বছরের বাচ্চা :- এক্ষেত্রে সবসময় মাস্ক পড়ার প্রয়োজন নেই তবে প্রয়োজন বুঝে ভিড় এলাকায় মাস্ক পড়া যেতে পারে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে তাদের থেকে বড় বয়সের বাচ্চাদের মধ্যেই সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশী এবং এই বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে খুব একটা সম্ভাবনা ছড়ায় না।

আরও পড়ুন :- করোনার ভ্যাকসিন ঠিক কখন আসবে জানিয়ে দিল WHO

২. ৬ থেকে ১১ বছরের বাচ্চা :- এদের ক্ষেত্রে সব সময় মাস্কের প্রয়োজন নেই তবে এই বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে অতি সংক্রমিত এলাকায় বা ভিড়ের মধ্যে মুখে মাস্ক পড়া প্রয়োজন। মাস্ক পড়লে তাদের কোনো শারীরিক সমস্যা হচ্ছে নাকি বা মাস্ক ঠিকঠাক ভাবে বসছে নাকি সেই বিষয় অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।

WHO এবং ইউনিসেফ এর মতে এই বয়সের ছেলে মেয়ে দের কোনো সংক্রমিত ব্যাক্তির থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখাই ভালো। এই বয়স এর বাচ্চাদের নিয়ে এই সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার করার কথা বলছেন গবেষকরা।

আরও পড়ুন :- কখন করোনামুক্ত হবে বিশ্ব, কী বলছে WHO

৩. ১২ বা তার বেশী বয়সের বাচ্চা :- এই বয়সের সন্তানরা বাড়ি থেকে বেরোনো মাত্রই খেয়াল রাখতে হবে তাদের মুখে যেন অবশ্যই মাস্ক থাকে। কোনো সংক্রমিত এলাকায় বা ভিড় অঞ্চলে তারা যেন কিছুক্ষণের জন্যও মাস্ক না নামায় সেই দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।