‘দাদা-বউদি বিরিয়ানি’র দাদা আর বউদি আসলে কে, ফাঁস হল দাদাগিরিতে

‘দাদা-বৌদি’ বিরিয়ানির দাদা এবং বৌদি কে, ফাঁস হল দাদাগিরিতে

Who is Dada Boudi of Dada Boudi Biriyani

বিরিয়ানিপ্রেমীদের কাছে ব্যারাকপুরের ‘দাদা-বৌদি’ (Dada Boudi) বিরিয়ানির বেশ নামডাক রয়েছে। ব্যারাকপুরে গেলে অন্তত একবার হলেও এই বিরিয়ানির স্বাদ নিতে পছন্দ করেন খাদ্য রসিকরা। এমনকি তারকারাও ব্যারাকপুরের উপর দিয়ে গাড়ি নিয়ে গেলে গাড়ি থামিয়ে এখান থেকে বিরিয়ানি কিনে নিয়ে যেতে ভোলেন না। স্বয়ং সৌরভ গাঙ্গুলীও (Sourav Ganguly) ‘দাদা-বৌদি’ বিরিয়ানির প্রেমে পড়েছেন।

সদ্য জি বাংলার ‘দাদাগিরি’র (Dadagiri) একটি এপিসোডে ‘দাদা-বৌদি’ বিরিয়ানির দোকানের বর্তমান কর্ণধার এসেছিলেন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। তারা তাদের দোকানের গল্প শুনিয়ে গেলেন দাদাকে। কী ভাবে এই বিরিয়ানি দোকান হল? কী ভাবেই বা দোকানের এমন অদ্ভুত নাম হল? সব প্রশ্নের জবাব দিয়ে গেলেন তিনি। দোকানের বর্তমান কর্ণধার জানালেন তার বাবা-মা এই বিরিয়ানি দোকানটি চালু করেছিলেন।

আজ থেকে প্রায় ৩০ বছর আগে এই দোকান শুরু করা হয়েছিল। তখন প্রথম প্রথম প্রতিদিন ৩ কিলো মাংসের বিরিয়ানি তৈরি হত। তবে তখন তেমন বিক্রি হত না। ধীরে ধীরে দোকানের নাম ডাক বাড়তে থাকে। ক্রমে দোকানের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে লোকমুখে। দোকানের নাম ‘দাদা-বৌদি’ গ্রাহকরাই ঠিক করে দিয়েছেন। বর্তমানে ৪০০-৫০০ কিলো মাংসের বিরিয়ানি তৈরি হয় এই দোকানে।

সৌরভ গাঙ্গুলী নিজেও একবার এই দোকানের বিরিয়ানি খেতে এসেছিলেন। কল্যাণী থেকে খেলে ফেরার পথে তিনি সোজা দোকানে এসে উপস্থিত হন। তারপর বিরিয়ানী কিনে খেতে খেতে বাড়ি ফিরেছিলেন সৌরভ। কথায় কথায় ‘দাদা-বৌদি’ বিরিয়ানির কর্ণধার সৌরভকে তাদের দোকানের পার্টনার হওয়ার কথা বলেন। তাতে সৌরভ মজার ছলে উত্তর দেন, ‘আমি তো সব বিরিয়ানি খেয়ে নেব’।

উল্লেখ্য, করোনা পরবর্তী পর্যায়ে ‘দাদাগিরি’র নবম সিজন নিয়ে ফিরেছিলেন সৌরভ। তবে এবার এই সিজন বন্ধ হওয়ার মুখে। দাদা ইতিমধ্যেই ‘দাদাগিরি’ বন্ধ হওয়ার খবর দিয়েছেন। শুনে বেজায় মন খারাপ ভক্তদের। তবে তারা আশা করছেন শীঘ্রই ‘দাদাগিরি’র দশম সিজন নিয়ে ফিরবেন সৌরভ।