কোন নারীকে বিবাহ করা অনুচিত? কী বলেছেন চানক্য?

জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে তিন বিধাতার নিয়ে, কখন-কিভাবে কার সাথে ঘটবে তা কেউ বলতে পারেননা। জীবনের অর্ধেক সময়টা অর্ধাঙ্গীনির সঙ্গে কাটানোর আগে অনেক কিছু ভাবতে হয়। কারণ, পুরুষদের ক্ষেত্রে সংসারে বৌ সকলের সঙ্গে থাকবেন। তাইইউ সকলের মনের মতো করে বউ করাটা একটা জরুরী ব্যাপার থাকে। অন্যদিকে আবার সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে। তাই পন্ডিত চানক্য বিয়ের জন্য কয়েকটি সাধারণ নীতি উপহার দিয়েছেন যা মেনে চললে বিয়ের পর সাফল্য অনিবার্য। আসুন দেখা যাক-

 ভালো পরিবারের মেয়ে- নিজের বউ বেশ সুন্দরী হবে। তাতে সকলে বা বা করবে এটাই সমস্ত ছেলের কাম্য। কিন্তু কথাতেই আছে চকচক করলে সোনা হয় না। তাই চানক্য বলছেন ভালো পরিবারের মেয়ে সুন্দরী মেয়েদের থেকে বেশি ভালো। তাতে সংসার সুখী হয়।

আর্থিক অবস্থা- কথাতেই আছে দরিদ্র  পরিবারের মেয়ে যদি ধনী পরিবারে আসে তাতে সমস্যা বাড়ে। তাই বিয়ের আগে ছেলেদের দুই পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক এবস্থা যাচাই করে তবে বিয়ে করা উচিত। উচ্চবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারেও বিয়ে করা উচিৎ নয়।

আরও পড়ুন : লক্ষী দেবীকে ঘরে রাখতে চানক্যের এই নীতি মেনে চলুন

পারিবারিক মূল্যবোধ সম্পন্না-  সুন্দর হলেই যে মন ভালো বা মূল্যবোধের অধিকারীনি হবেন তা ভুল। তাই  চানক্য বলছেন যে কন্যার মধ্যে পারিবারিক মূল্যবোধা আছে তাকেই বিয়ে করা উচিত।

সত, বুদ্ধিমতী- মেয়েদের বুদ্ধিমান হওয়া বিশেষ জরুরী। কারণ পুরুষরা বাইরে কাজ করবেন আর মহিলারা সেই কাজের আয়ে সংসার চালাবেন। তাই সংসারে সুখের জন্য হাত খুলে খরচ করবেন এটাতো হয় না। একটু বুঝে করতে হবে । তাই যে কন্যার মধ্যে সদ্ গুণ ও বু্দ্ধি থাকবে তাঁকে বিয়ে করলে বৈবাহিক জীবন সুখী হবে।

বিয়ের জন্য সুকন্যা যেমন দরকার তেমনি ছেলেদেরও স্ত্রীর সাথে সুব্যবহার জরুরী। অনেকসময় স্বামীদের কুব্যাবহারে স্ত্রীরা কুপথে চালিত হয়। তাই অকারণে সন্দেহ বা ঝগড়া না করাই ভালো।