করোনা ভাইরাসের দুর্বলতা খুঁজে ফেলল ভারতীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন বিজ্ঞানী

5164

করোনা ভাইরাস(Corona Virus) প্রায়শই নিজেকে পরিবর্তন করছে। ফলে গবেষণায় নানান সমস্যার সন্মুখীন হতে হচ্ছে গবেষকদের। যার ফলে এখনও পর্যন্ত বলা যাচ্ছেনা কোরোনা ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) কবে বাজারে আসবে।

করোনা ভাইরাসকে আটকাতে হলে খুঁজে ফেলতে হবে  তার দুর্বলতা। এটাই হতে পারে একমাত্র উপায়। এমন পরিস্থিতিতে ১৪ বছরের এক ভারতীয় বংশদ্ভুত মার্কিন কিশোরী কোরোনা ভাইরাসের দুর্বলতা চিহ্নিত করার পথ দেখালো।

এর জন্য টেক্সাসের ছাত্রী অনীকা শেব্রোলু (Anika Chebrolu) জিতে নিল ‘ইয়ং সায়েন্টিস্ট চ্যালেঞ্জ’ পুরস্কার ও জিতে নিল নগদ ২৫ হাজার মার্কিন ডলার। দেশে বিদেশে শুধু গবেষক বা বিজ্ঞানী মহলই নয় বরং কম বয়সের মেধাবী শিক্ষার্থীরা কোরোনা মোকাবিলার অস্ত্র খুঁজতে ব্যাস্ত।

Anika Chebrolu
Anika Chebrolu

আনিকাও সেরকমই এক মেধাবী ছাত্রী। সে ইন-সিলিকো মেথডোলজি (In-Silico Methodology) প্রয়োগ এর মাধ্যমে এমন এক প্রোটিনের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছে যার মাধ্যমেই কোরোনা মানব দেহের কোষের সাথে আটকে থাকে।

এক সংবাদ মাধ্যমকে সে জানিয়েছে যে সে একটা অনুর মডেলের মাধ্যমে বুঝিয়েছে, প্রোটিনের মাধ্যমে কিভাবে মানব কোষের সাথে কোভিড ভাইরাস আটকে থাকে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে নির্দিষ্ট সেই বন্ধনের জন্য প্রোটিনটি মানব দেহে অক্ষম হয়ে যায়।

তবে এই প্রথম নয়, অনিকা জানায় অষ্টম শ্রেণী থেকেই বিভিন্ন জীবাণুদের নিয়ে গবেষণা করেছে সে।  ঘাটাঘাটি করেছ জীবাণু, মহামারী, ওষুধ আবিষ্কারের ইতিবৃত্ত নিয়ে। ছেলেবেলা থেকেই গবেষক হওয়ার ইচ্ছে ছিল অনিকার।

তবে কোরোনা নিয়ে তার এই গবেষণায় জীবাণু বিশেষজ্ঞ এবং চিতিৎসকদের সাহায্য নিয়েছে সে, কিন্তু শেষপর্যন্ত লক্ষ পূরণ করেছে সে। বিশ্বের গবেষক মহল মনে করছে তার এই খোঁজে বিশ্ববাসীর লাভ হবে। মানব শরীরে থাকা সেই প্রোটিনকে রক্ষা করা গেলেই সম্ভব হবে কোরোনা ভাইরাসকে রুখে দেওয়া। এত ছোট বয়সে এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য আনিকাকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন গবেষকরা।