শুধু ১ চামচ ডাল দিয়ে করলা রাঁধুন এইভাবে, মাছ-মাংস ফেলে সবাই আঙুল চেটে খাবে

তেতো লাগবে না এতটুকু, এইভাবে করলা রাঁধলে বাচ্চা-বুড়ো সবাই আঙুল চেটে চেটে খাবে

শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, সুস্থ থাকার জন্য বাঙালির তো করলাই ভরসা। উচ্ছে কিংবা করলা, এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ যা শরীরকে ভেতর থেকে মজবুত করে। কিন্তু এর তিতকুটে স্বাদের জন্য অনেকেই করলা খেতে পছন্দ করেন না। তাই তাদের জন্য আজকে রইল করোলার এমন একটি রেসিপি (Bitter Gourd Recipe) যা বাড়িতে বানালে তেতো লাগবে না এতটুকু, সেই সঙ্গে স্বাদ হবে অমৃতের মত। তাই আর দেরি না করে চট করে শিখে নিন রান্নাটা (Unique Style Korola Recipe)।

করোলার এই রেসিপি বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ : ৩টে গোটা করোলা, ৩টে মাঝারি সাইজের গোটা পেঁয়াজ, ২টি কাঁচা লঙ্কা, রান্নার জন্য তেল, হলুদ, নুন, গোটা জিরা ১/২ চামচ, গোটা কালো সর্ষে ১/২ চামচ, এক চামচ পরিমাণ মটর ডাল, এক চামচ মাসকলাই ডাল, কারি পাতা, জিরের গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, এক চামচ পরিমাণ গুড়।

করোলার এই বিশেষ ধরনের রেসিপি বানানোর পদ্ধতি : প্রথমে গোটা করোলা খুব ভাল করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার একটা ছুরির সাহায্যে করলার এক পিঠে মাঝ বরাবর কেটে ভেতরের বীজ বের করে ফেলে দিন। করোলা এইভাবে গোটাই রেখে দিতে হবে। অন্যদিকে পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে তার মধ্যে গোটা করোলা, গোটা পেঁয়াজ ও বেশ কয়েকটি কাঁচালঙ্কা একসঙ্গে সামান্য ভেজে নিতে হবে।

ভাজা হয়ে গেলে ঠান্ডা করে নিয়ে করোলা এবং পেঁয়াজ ছোট ছোট টুকরো করে কুচিয়ে নিন। অন্যদিকে কড়াইতে সামান্য তেল গরম করে তার মধ্যে সামান্য কালো সরষে ও গোটা জিরে ফোড়ন দিন। এবার এরমধ্যে দুই প্রকারের ডাল অর্থাৎ মটর ডাল এবং মাসকলাই ডাল ও কারি পাতা দিয়ে ভেজে নিতে হবে।

তারপর এরমধ্যে কেটে রাখা ভাজা করোলা এবং পেঁয়াজ দিয়ে দিন। সেই সঙ্গে রান্নার মধ্যে হলুদ গুঁড়ো এবং লবণ দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। ২ মিনিট ভাল করে নেড়েচেড়ে রান্না করে নিতে হবে। ২ মিনিট রান্না করে দেওয়ার পর এর মধ্যে সামান্য পরিমাণ তেতুলের কাথ্থ মিশিয়ে নিন। এবার সামান্য পরিমাণ জল মিশিয়ে নিন।

সেই সঙ্গে এর মধ্যে জিড়ের গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো এবং প্রয়োজন অনুসারে নুন মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে চার থেকে পাঁচ মিনিট রান্না হতে দিতে হবে। সবশেষে রান্নার একেবারে শেষ ধাপে এর মধ্যে এক চামচ পরিমাণ গুড় মিশিয়ে নামিয়ে নিন। করলা এইভাবে রান্না করলে তেতো লাগবে না কিন্তু এর সমস্ত গুনাগুন শরীরে পৌঁছাবে। ভাত কিংবা রুটি পরোটার সঙ্গে খেতে পারেন করলার এই অভিনব পদ।