নীল-তৃণার বিয়ের মেনুতে কী কী থাকছে, কেমন সাজবে তৃণা দেখে নিন

অবশেষে পরিণতি পাচ্ছে ১০ বছর পুরোনো প্রেম। হাতে নেই আর এক মাসও। আগামী ৪ঠা ফেব্রুয়ারি নিজের ভালোবাসার মানুষ Neel Bhattacharyya সাথে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন অভিনেত্রী Trina Saha। ইতিমধ্যে সারা হয়ে গেছে এনগেজমেন্ট পর্ব ও সংগীতের অনুষ্ঠান। শুটের ব্যস্ততার মাঝেই চলছে বিয়ের প্রস্তুতি। শহরের এক নামী ক্লাবে বসবে এই জুটির বিয়ের আসর, এরপর টলিউডের বন্ধুদের জন্য শানদার রিসেপশনের ব্যবস্থা থাকছে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র দিন। বিয়েতে কি প্ল্যানিং? কি মেনু? দেখে নিন।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বিয়েতে তিনি লাহেঙ্গা নয় বরং এক্কেবারে সাবেকি সাজে লাল বেনারসি পরে পিড়িতে বসতে চান। বিয়েতে একদম সাবেকি বাঙালি বধূর সাজেই সাজবেন তৃণা। লাল বেনারসিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন তিনি। সাবেকি বাঙালি সাজে বরের গলায় মালা দিতে চান তৃণা। বিশেষ দিনে নীলকেও কম্বিনেশন করে ধুতি পাঞ্জাবিতে দেখা যাবে।

বিয়ের সাজগোজ থেকে খাওয়া দাওয়া সবই হবে সম্পূর্ন বাঙালি রীতিনীতি মেনে। বিয়ের মেনুর তালিকায় আছে চিতল মাছের মুইঠ্যা, চিংড়ির মালাইকারি, সাদা ভাত, বাসন্তী পোলাও সহ আরও অনেক কিছু।মিষ্টিও হবে বাঙালির শীতের নস্টালজিয়া, পাটিসাপটা।

তবে রিসেপশন হবে মুঘল থিমে। অর্থাৎ রাজকীয় রিসেপশনের আয়োজন করতে চাইছেন নীল।শুধু তাই নয়, এই দিনের পোশাকেও থাকবে রাজকীয় ছাপ।এই জন্যই এইদিনের পোশাক ডিজাইনের দায়িত্ব তিনি দিয়েছেন এক সর্বভারতীয় ব্র্যান্ডকে। রিসেপশনের দিন মেনুতে থাকছে মটন বিরিয়নি, গলৌটি কাবাব, চাপ আর ফিরনিতে হবে অতিথি আপ্যায়ন। সব কিছুই রাজকীয় ভাবে করতে চাইছেন হবু বর।

 

এবার আসা যাক ভেনিউ এর প্রসঙ্গে। বিয়ের আসর বসতে চলেছে অর্কিড গার্ডেনসে এবং অন্যদিকে রিসেপশনের জন্য তাদের পছন্দ পি সি চন্দ্র গার্ডেন।বিয়েতে উপস্থিত থাকবে পুরো খড়কুটো পরিবার। শুধু তাই নয়, নতুন বউয়ের গোছগাছ করতে এবং বিয়েতে সক্রিয় ভাবে থাকতে আগে থেকেই ছুটি নিয়ে রেখেছেন কৌশিক রায় অর্থাৎ সৌজন্য। সাথে থাকবে গুনগুনের তিন্নি দিদিও।তৃণা সাহা জানান সিরিয়ালের কলাকুশলী থেকে টেকনিশিয়ান সবাই তাদের বিয়েতে আমন্ত্রিত।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Trina Saha (@trinasaha21)

বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমায় গ্রিস বা দুবাই যাওয়ার প্ল্যান করছেন নীল এবং তৃণা। তবে তা বিয়ের পরপরই হবেনা বলেই জানাচ্ছেন তিনি কারণ বর্তমানে কাজ দিয়ে চরম ব্যস্ত দুজনেই। ফলে পরে ছুটি পেলেই বেরিয়ে যাবেন তারা।এখন আর কিছুদিন মাত্র বাকি। ভালোবাসার মানুষটির সাথে সাত জন্মের জন্য বাঁধা পড়ার অপেক্ষায় দিন গুনছেন দুজনেই।