‘৩ বার বিয়েতে সাধ মেটেনি, নিজের বাবাকেও ছাড়লেন না!’, চূড়ান্ত নোংরা কটাক্ষ শ্রাবন্তীকে

তিনবার বিয়েতে সাধ মেটেনি, বাবাকে বিয়ে করতে চেয়ে চূড়ান্ত অপমানিত শ্রাবন্তী

টলিউড (Tollywood) অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী (Srabanti Chatterjee) হামেশাই সোশ্যাল মিডিয়াতে নেট নাগরিকদের কাছে বিভিন্ন কারণ নিয়ে অপদস্থ হন। প্রধানত তাকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই খোঁচা দেন সোশ্যাল মিডিয়ার মানুষরা। বারবার বিয়ে, বারবার ডিভোর্সের জেরে সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু কম হেনস্থা হতে হয় না তাকে। এবার তার বাবা জড়িয়েও তাকে কটাক্ষ করা হল।

বেশ কয়েক বছর আগে জি বাংলার একটি রিয়েলিটি শো-তে উপস্থিত হয়ে শ্রাবন্তী একটি মন্তব্য করেছিলেন যে কারণে আজও তাকে কথা শুনতে হয়। সেখানে তিনি তার বাবাকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেন। আজ এত বছর বাদে সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে শ্রাবন্তীকে চূড়ান্ত অশ্লীল কথা শুনতে হচ্ছে। শ্রাবন্তী এবং তার বাবাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার নোংরা মন্তব্যে কান পাতাই দায়।

আসলে কয়েক বছর আগে ‘হ্যাপি পেরেন্টস ডে’ নামের একটি রিয়েলিটি শোয়ের আয়োজন করেছিল জি বাংলা। সেখানে বাংলার তারকারা তাদের বাবা-মায়েদের নিয়ে উপস্থিত হতেন এবং নিজেদের সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্যের খোলাসা করতেন। তেমনই শ্রাবন্তীও তার বাবা এবং মাকে নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এই মঞ্চে।

সেখানে শ্রাবন্তী বলেন তিনি ছোট থেকেই ভীষণ দুষ্টু ছিলেন। সেই কারণে বাবার কাছে প্রচুর মার খেয়েছেন ছোটবেলায়। বাবাকে বেশ ভয়ও পেতেন শ্রাবন্তী। সেই সঙ্গে তিনি জানান তার বাবা মিলিটারিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি আবার থিয়েটারও করতেন। ছোটবেলায় শ্রাবন্তীর কাছে তার বাবা ছিলেন একেবারে সুদর্শন পুরুষ। যে কারণে তিনি নাকি তার বাবাকেই বিয়ে করতে চাইতেন।

শ্রাবন্তীর মুখে এই কথা শুনে সেখানে উপস্থিত সকলেই ভীষণ অবাক হয়ে যান। শ্রাবন্তী বলেছেন যখন তিনি তার বাবাকে এই কথা বলতেন তখন উত্তরে তিনি বলতেন, “ঠিক আছে। তুই আগে বড় তো হ!” আজ এত বছর বাদে শ্রাবন্তীর সেই কথাটিকে নিয়েই চলছে নানান তরজা। শ্রাবন্তী তার বাবাকে বিয়ে করতে চাইছেন, এইটুকু অংশ শুনেই তাকে নিয়ে কটাক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।

Srabanti Chatterjee Reveals in an Old Interview that She Wants to Marry Her Father

তবে শ্রাবন্তী অবশ্য পাশে পেয়েছেন তার অনুরাগীদের। আসলে ছোটবেলাতে তো বিয়ে সম্পর্কে জ্ঞান থাকে না কোনও শিশুর। তাই তিনি যে কথাটি বলেছিলেন সেটির পেছনে আদতে কোনও কুরুচিকর অর্থ ছিল না। ছোটবেলায় এরকম কথা অনেকেই বলে থাকেন। তাই এই নিয়ে শ্রাবন্তীকে আক্রমণ করার বা তাকে অপমান করার কিছু নেই বলেই মনে করছেন অনুরাগীরা। যদিও নিন্দুকরা অবশ্য এতে চুপ করেননি।