লকডাউন ভেঙে রাস্তায় যুবক, উচিত শিক্ষা দিল পুলিশ, হেসে গড়াগড়ি নেটিজেনদের

কোরোনা ভাইরাস ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে রীতিমত ধ্বংসপুরিতে পরিণত করেছে। ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। নেই কোনো প্রতিষেধক। বাঁচার উপায় একটাই, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। সেই উদ্দেশ্যেই চলছে দেশ জুড়ে দ্বিতীয় দফার লক ডাউন। কিন্তু সমগ্র দেশের বিভিন্ন চিত্র থেকে বোঝাই যাচ্ছে যে অনেক মানুষেরই এখনও হুশ ফেরেনি।

লক ডাউন অমান্য করে অনেকেই বেরিয়ে পড়ছেন রাস্তায়।এর আগে এমন কাজের জন্য বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে দেখা গেছে রাস্তায় কান ধরে উঠবোস করাতে, কিন্তু এবার অভিনব উপায় লক ডাউন ভাঙ্গা যুবকদের শাস্তি দিল পুলিশ।শুক্রবার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর তিরুপ্পুরে যেখানে ফাঁকা রাস্তায় চারজন যুবক লকডাউনের তোয়াক্কা না করেই বেরিয়ে পড়েছিলেন রাস্তায়। কোনো জরুরি প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও সাধারণ দিনের মতনই ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তারা। রাস্তায় পুলিশ তাদের পাকড়াও করে। তাদের নিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অ্যাম্বুল্যান্সে জোর করে তুলে দেয় পুলিশ।

অ্যাম্বুল্যান্সে আগের থেকেই মাস্ক এবং পিপিই পড়া একজন বসে ছিলেন যাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তিনি কোরোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।তার সাথে অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতর তুলে দাওয়া হয় সেই যুবকদের এবং তাদের বলা হয় আক্রান্ত ওই ব্যাক্তির সাথে তাদের হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করানো হবে। অন্যদিকে কোরোনা আক্রান্তের পোশাক পড়া সেই ব্যাক্তি স্ট্রেচার থেকে উঠে যুবকদের কাছে এগিয়ে যাচ্ছেন এবং যুবকদের জিজ্ঞেস করছেন তারাও কোরোনা আক্রান্ত হতে চায় কিনা।

এরকম বেফাস পরিস্থিতিতে ফেঁসে যুবকদের অবস্থা বেজায় খারাপ। দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে লাভ করতে না পেরে জানলা দিয়েই ঝাঁপ মেরে পালানোর চেষ্টা করছেন তারা।সেখানেও রক্ষা নেই। জানলা দিয়ে একটা পা বার করলেই বাইরে থাকা পুলিশ কর্মীরা ধাক্কা দিয়ে আবার ভেতরে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন।

শেষ পর্যন্ত তাদের বেহাল দশা দেখে গাড়ির দরজা খুলে দিলেন তারা। সেই সময় রীতিমত হাসছেন পুলিশ কর্মীরা। আর ওই কোরোনা আক্রান্ত সেজে বসে থাকা লোকটি? উনি পুলিশেরই লোক। যারা সম্পূর্ণ বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন তাদের শাস্তি দিতেই বিষয়টি সাজিয়েছেন পুলিশ কর্মীরা। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর রীতিমত হাসির রোল উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সবাই বলছেন, একদম ঠিক শাস্তি দিয়েছেন পুলিশকর্মীরা।