সহ্য হচ্ছে না গুনগুনের সুখ, সৌগুনের সংসার ছারখার করতে চরম সিদ্ধান্ত নিল তিন্নি

মান-অভিমান পর্ব কাটিয়ে সৌজন্য এবং গুনগুন এখন কাছাকাছি। স্বামী-স্ত্রীর মতোই মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে তাদের মাঝে। এখন আর তাদের মধ্যে কোনও মান-অভিমান নেই। সুখের সংসার করছে তারা। তবে সৌগুনের সুখের সংসার দেখে রাগে-হিংসায় জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে তিন্নি। সে কিছুতেই সৌগুনকে একসঙ্গে সহ্য করতে পারছে না।

ধারাবাহিকের সাম্প্রতিকতম পর্বে দেখানো হয়েছে, দুর্গোৎসব উপলক্ষে তিন্নি ফের মুখার্জি বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়েছে। পুজোর চার দিন সে কাটালো তার সৌজন্যদার সঙ্গেই। তবে গুনগুন আর সৌজন্যকে কাছাকাছি দেখে সে তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠে। বাড়ি ফিরে গিয়েও সে ভাবতে থাকে কিভাবে সৌগুনকে আলাদা করা যায়। গুনগুনকে সে তার আর সৌজন্যের মাঝে বাঁধা বলে মনে করে।

Khorkuto Tinni

তিন্নি সৌজন্যকে ভালোবাসতো। তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। তবে সৌজন্যের সঙ্গে শেষমেষ গুনগুনের বিয়ে হয়ে যায়। তার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। সৌজন্যের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও তার প্রতি তিন্নির অবসেশন দিন প্রতিদিন বাড়ছে। মাঝরাতে সৌজন্য আর গুনগুন নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে। এদিকে ঘুম নেই তিন্নির চোখে।

সে আপন মনে বিড়বিড় করে বলে চলেছে, সৌজন্য আর গুনগুনকে সে সুখে থাকতে দেবে না। তাদের সংসার ছারখার করে দেবে। এই বলে সে গভীর রাতেই সৌজন্যকে ফোন করতে থাকে। একবার ফোন কেটে গেলেও বারবার ফোন করতে থাকে তিন্নি।

khorkuto gungun

এই ভিডিও দেখে কার্যত তিন্নির ওপর বেজায় চটেছেন নেটিজেনরা। এত কিছুর পর সৌজন্য এবং গুনগুনের জীবনে আবার সুখ ফিরে এসেছে। তবে সেই সুখ কেড়ে নিতে চায় তিন্নি। তাই এখন নেটিজেনদের সব রাগ গিয়ে পড়েছে তিন্নির উপরে। প্রসঙ্গত, দূর্গা পূজার দশমীর সিঁদুর খেলার সময় গুনগুনের হাতের সিঁদুর তিন্নির সিঁথিতে পড়ে যায়। বিষয়টিকে ভালোভাবে নেয়নি গুনগুন।

গুনগুনের আশঙ্কা, তার তিন্নিদিদি নিশ্চয়ই তার ক্রেজিকে তার থেকে কেড়ে নিতে চাইছে। গুনগুনের সেই আশঙ্কা নিরসন করেছে সৌজন্য। তবে গুনগুনের আশঙ্কা যে মোটেই মিথ্যে নয়, এই ভিডিও তার প্রমাণ। তাহলে কি এবার সৌজন্য এবং গুনগুনের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে তিন্নি?