১৬ বছরের প্রধানমন্ত্রী কখনও শুনেছেন? একদিনের জন্য হলেও এটাই সত্যি। ফিনল্যান্ডের (Finland) প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন (Sanna Marin),  ২৪ ঘণ্টার জন্য দেশ শাসনের ভার ছেড়ে দিলেন আভা মুর্তো (Aava Murto) নামে এক ষোড়শীর উপর।

একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদে বসতে পেরে যত না খুশি ১৬ বছরের মেয়েটি, তার চেয়ে বেশি সে গর্ববোধ করছে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে। তবে এই একদিনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য তাকেও রীতিমত নিজ ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে।

হঠাৎ কেন এই সিদ্ধান্ত?

গত ৪ বছর ধরে ফিনল্যান্ডে প্রতি বছর একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসার সুযোগ পায় দেশের কিশোরীরা। নিজের ক্ষেত্রে তাদের অনন্য নজিরের ভিত্তিতে রীতিমতো প্রতিযোগিতা করে একদিনের জন্য ওই পদ পেতে হয়।

আধুনিক যুগে মহিলারা গৃহকর্ম ছাড়াও উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি,উদ্ভাবনী ক্ষমতা সবার দিক থেকেই পুরুষদের সাথে পাল্লা দিয়ে এগোচ্ছেন। এই কথাটাই সকলের চোখে আঙুল দিয়ে বোঝানোর জন্য এই ষোড়শী কিশোরীকে একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী করেন সানা মারিন।

আভা মুর্তো কে কেন বেছে নেওয়া হল?

আভা মুর্তোকে ফিনল্যান্ডবাসী চেনেন পরিবেশকর্মী হিসেবে। পরিবেশ নিয়ে বেশ সচেতন এই ষোড়শী, কাজেকর্মেও রয়েছে তার প্রভাব। প্রধানমন্ত্রী তাই তাকেই বেছে নিয়েছেন নিজের চেয়ারে বসার জন্য। তবে এই প্রথম নয়, গত ৪ বছর ধরেই প্রতি বছরেই এই নিয়ম মানা হচ্ছে। একদিনের জন্য দেশের কিশোরীদের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

তবে এক্ষেত্রে আরেকটি কথা উল্লেখ্য যে ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিনের নিজের বয়স ৩৪ বছর এবং তিনি বিশ্বের কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও তাদের জোট সরকারের প্রতিটি শরিক দলের প্রধান এক একজন মহিলা।

আভা মুর্তো ফিনল্যান্ডএর এক পরিবেশকর্মী এবং তার এই পরিচয়ের প্রভাব পড়েছে তার কাজকর্মে। সেই কারণেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজের কথা প্রমাণ করার জন্য তাকেই বেছে নিয়েছেন।