লাগবে না ইলেকট্রিক বিল, আজই বাড়িতে আনুন এই অত্যাধুনিক এসি

এপ্রিল মাসের শেষে তীব্র গরমের দাপটে স্বস্তি উড়েছে সাধারণ মানুষের। অল্পবিস্তর বৃষ্টিপাত হলেও ভ্যাপসা গরমের (Summer) হাত থেকে রেহাই মিলছে না। এখনও আরও কয়েকটা মাস এই গরম সহ্য করতে হবে ভেবেই মাথা খারাপ সকলের। গরমে ঠান্ডা থাকার জন্য তাই স্বভাবতই এসির (Air Conditioner) দোকানে বাড়ছে ভিড়। তবে এই মূল্যবৃদ্ধির বাজারে ‌এয়ার কন্ডিশনার বা এসির দাম আকাশছোঁয়া! তাও বা যদি কষ্ট করে এসি কেনার সাধ্য হয়, তারপরের মোটা অংকের খরচা পর্ব শুরু হতেই মাথায় পড়ে হাত।

এসি কিনলেই তো শুধু হল না, তার মেইনটেনেন্স এবং ইলেকট্রিক বিল বাবদ প্রতিমাসে মোটা টাকার ধাক্কা রয়েছে। শরীর ঠাণ্ডা হলেও খরচার অঙ্কটা শুনলে গরমে মাথা আরও গরম হয়ে যায়! তবে আজ এই প্রতিবেদনে সাধারণের মাথা ঠান্ডা করার জন্য রইল এক বিশেষ ধরনের এসির খবর, এই এসি ব্যবহার করলে অতিরিক্ত খরচের প্রয়োজন পড়ে না। কারণ এই এসি চালাতে গেলে ইলেকট্রিক খরচের প্রয়োজন পড়ে না।

আজ যে এসির সুলুক সন্ধান রইল এই প্রতিবেদনে সেটি হল সোলার এসি। ভারতের বাজারে অনেক দিন আগে থেকেই রয়েছে এই সোলার এসি। এটি ব্যবহার করতে যেমন এক পয়সাও ইলেকট্রিক বিল খরচ করতে হয় না, তেমনই এটি ব্যবহারের আরও বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। এই সোলার এসিকে তিনটি উপায়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। সোলার পাওয়ার, সোলার ব্যাটারি ব্যাংক এবং ইলেকট্রিসিটি গ্রিডের সাহায্যে চালানো যায় এই এসি।

ভারতের বাজারে উপলব্ধ থাকলেও এই সোলার এসি তেমন জনপ্রিয় নয় ক্রেতাদের মাঝে। তার প্রধান কারণ হল এর অত্যধিক দাম। অন্যান্য সাধারণ এসির তুলনায় এর দাম কিছুটা বেশি, তবে মাথায় রাখতে হবে এককালীন ইনভেস্টমেন্ট করে যদি একবার এই এসি বাড়িতে লাগিয়ে নিতে পারেন তাহলে আজীবন ইলেকট্রিক বিল ছাড়াই আপনার ঘরের অন্দরমহল থাকবে ঠান্ডা।

সাধারণত সোলার এসি কিনতে হলে এক লাখ টাকার কাছাকাছি খরচ হতে পারে। Kenbrook Solar এর এক টন ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার এসির দাম পড়ে ৯৯,০০০ টাকা। ১.৫ টনের সোলার এসি কিনতে হলে খরচ হবে ১.৩৯ লক্ষ টাকা। প্রাথমিকভাবে দাম অনেক বেশি হলেও আজীবন প্রায় নিখরচায় এসি ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে দেখলে সোলার এসির ব্যবহার অন্যান্য এসির তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী।