কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন পাল্টানো তার কিছু বিখ্যাত উক্তি

আজ ২৫শে বৈশাখ। আজ আমাদের সবচেয়ে প্রিয় কবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। এই দিন তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। মানুষ হিসেবে জন্ম গ্রহণ করেও তার সমাজ, সংস্কৃতি ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অবদান যেন তার অতিলৌকিক ক্ষমতাকেই আমাদের সামনে তুলে ধরে তিনি যেন তার মনের কথা অকাতরে বিলিয়ে গিয়েছেন তার লেখা কাব্য গ্রন্থ থেকে শুরু করে তার সকল রচনার মাধ্যমে। তিনি যেন নতুন দৃষ্টিকে প্রকৃতির সঙ্গে মানবের যে আত্মিক সম্পর্ক যুগ যুগ ধরে বর্তমান তা আমাদের সামনে উপস্থাপিত করেছেন তার প্রকৃতি প্রেম বিষয়ক রচনার মাধ্যমে।

Source

তিনি যেন সকল প্রকার মানুষের মন বুঝতে পারতেন অনায়াসে।তাই তার লেখনীতে আমরা পাই নারী পুরুষ সকল প্রকার  মানুষের অন্তরের দ্বন্দের কথা। তাই তিনি যেন ছিলেন এক মনসত্ববিদ। তার রচনা আমাদের বাঁচার নতুন প্রেরণা যোগায়। তার গান তার নৃত্য মনে এক নতুনত্বের ধারা সঞ্চার করে। সৃষ্টিকে ও স্রষ্টাকে যে ভালোবাসার বন্ধনে একাকীত্ব করেছেন তিনি। মানব হৃদয় ও মস্তিষ্ক যে বদ্ধ প্রাচীরের মধ্যে থেকে জ্ঞান  অর্জন করতে পারে না তা তার বিশ্বভারতী সৃষ্টির মাধ্যমে জগতে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি তাই আধুনিক শিক্ষার প্রবর্তক। তিনি তাই একজন মহান দার্শনিক। তিনি তার দর্শনের মাধ্যমে আমাদের দিয়ে গিয়েছেন অমূল্য কিছু উক্তি যা আজকের প্রতিবেদনে আমরা জানাবো। আর এইভাবেই এই প্রথম ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঐশ্বরিক ক্ষমতা সম্পন্ন পরম পুরুষ আমাদের প্রাণের রবি ঠাকুরকে জানাবো আমাদের বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি।

রবি ঠাকুরের বিখ্যাত কিছু উক্তি

(১)”যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে”

(২)”আনন্দকে ভাগ করলে দুটি জিনিস পাওয়া যায়, একটি হচ্ছে জ্ঞান ও অপরটি হচ্ছে প্রেম।”

(৩)”মন দিয়ে মন বোঝা যায় ,
গভীর বিশ্বাস শুধু ,
নীরব প্রেমের কথা টেনে নিয়ে আসে।”

Loading...

(৪)”আগুনকে যে ভয় পাই,
সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।”

(৫”)মনুষ্যত্বর শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা,
আর সমস্তটাই তার অধীন”

Source

(৬)”নিজের অজ্ঞতার সম্বন্ধে অজ্ঞনতার মতো,
অজ্ঞান আর কিছু নেই।”

(৭)”গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল ,
বন্ধু তেমনই একটি বিশেষ জাতের মানুষ।”

(৮)”এরা সুখের লাগি ,চাহে প্রেম,
প্রেম মেলে না,
শুধু সুখ চলে যায়”

(৯)”মানুষ পণ করে,
পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া,
হাঁফ ছাড়িবার জন্য।”

(১০)”যে ধর্মের নামে বিদ্বেষ সঞ্চিত করে,
ঈশ্বরের অর্ঘ্য হতে, সে হয় বঞ্চিত।”

Source

(১১)”ভয়ের তাড়া খেলেই,
ধর্মের মূঢ়তার পিছনে,
মানুষ লুকাতে চেষ্টা করে।”

(১২)”সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে,
প্রভেদ এই যে
সাধুরা কপট, আর
অসাধুরা অকপট।”

(১৩)”ক্ষমাই যদি করতে না পারো,
তবে তাকে ভালোবাসো কেন? ”

(১৪)”সংসারের কোন কাজেই,
যে হতভাগার বুদ্ধি খোলে না ,
সে নিশ্চয়ই ভালো বই লিখিবে।”

(১৫)”আমি তোমাকে অসংখ্য ভাবে ভালোবেসেছি,
অসংখ্যবার ভালোবেসেছি
একজীবনের পর অন্য জীবনেও ভালো বেসেছি,
বছরের পর বছর সর্বদা, সর্বময়।”

Source

(১৬)   “অতীতকাল যত বড়ো কালই হোক
নিজের সম্বন্ধে বর্তমান কালের একটা স্পর্ধা থাকা উচিত।
মনে থাকা উচিত ,তার মধ্যে জয় করিবার শক্তি আছে।”

(১৭) “চোখ কতটুকুই দেখে,
কান কতটুকুই  শোনে,
স্পর্শ কতটুকুই বোধ করে।
কিন্তু মন এই আপন ক্ষুদ্রতাকে,
কেবলই ছড়িয়ে যাচ্ছে।”

(১৮)”ধর্ম যারা সম্পূর্ণ উপলব্ধি না করিয়া প্রচার করিতে চেষ্টা করে,
তাহারা ক্রমশই ধর্মকে জীবন হইতে দূরে ঠেলিতে থাকে।
ইহারা ধর্মকে এক বিশেষ  গন্ডি আঁকিয়া, একটা বিশেষ সীমানার মধ্যে আবদ্ধ করে।”

(১৯)”পাপকে ঠেকাবার জন্য কিছু না করাই তো পাপ।”

(২০)”নিন্দা করতে গেলে বাইরে থেকেই করা যায়,
কিন্তু বিচার করতে গেলে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়।”

(২১)”লোকে ভুলে যায়, দাম্পত্যটা একটা আর্ট,
প্রতিদিন ওকে নতুন করে সৃষ্টি করা চাই।”

(২২)”সামনে একটা পাথর পড়লে ,যে লোক ঘুরে না গিয়ে
সেটা ডিঙিয়ে পথ সংক্ষেপ করতে চাই,
বিলম্ব তারই অদৃষ্টে আছে।”

(২৩)”সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ।”

(২৪)”যে পুরুষ অসংশয়ে অকুণ্ঠিতভাবে,
নিজেকে প্রচার করিতে পারে।
সেই সমস্ত পুরুষ সহজেই ,
নারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করিতে পারে।”

(২৫)”তোমার পতাকা যারে দাও ,
তার বহিবারে দাও শক্তি।”

(২৬)
“অধিকার ছাড়িয়া দিয়া ,
অধিকার ধরিয়া রাখিবার মতো বিড়ম্বনা
আর হয় না।”

(২৭)”সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে,
ভালোবাসার স্বাদ থাকে না-
তরকারিতে লঙ্কা মরিচের মতো।”

(২৮)”শিমুল কাঠই হোক,
আর
বকুল কাঠই হোক
আগুনের চেহারাটা একই।”

(২৯)”আমরা বন্ধুর কাছ থেকে মমতা চাই,
সমবেদনা চাই, সাহায্যও চাই,
সেই জন্যই বন্ধুকে চাই।”

(৩০)”ভালোবাসা কথাটা বিবাহ কথার চেয়ে ,
আরও বেশি জ্যান্ত।”

(৩১)”পৃথিবীর সবচাইতে বড় দূরত্ব কোনটা জানো?
নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত উত্তরটা সঠিক নয়।
সবচাইতে বড় দূরত্ব হলো আমি তোমার সামনে থাকি,

কিন্তু তুমি জানো না যে, আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।”

(৩২)”স্বামীরা প্রেমিক হতে অবশ্যই রাজি ,
তবে সেটা নিজের স্ত্রীর সাথে নয়
নিজের স্ত্রীর প্রেমিক হবার বিষয়টা,
তারা ভাবতেই চাই না।”

(৩৪)”প্রেমের আনন্দ থাকে অল্পক্ষণ ,
কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।”

(৩৫)”সাধারণত স্ত্রী জাতি কাঁচা আমি,ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে।

যে দুর্ভাগা পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হতে বঞ্চিত হয়,সে কুশ্রী অথবা ধনহীন তা নহে,সে নিতান্তই নিরীহ।

(৩৬)একটা মন আর একটা  মনকে খুজিতেছে,
নিজের ভাবনার ভার নামাইয়া দিবার জন্য।
নিজের মনের ভাবকে অন্যের মনের ভাবে,
ভাবিত করার জন্য।”

(৩৭)     যে মরিতে জানে,
সুখের অধিকার তাহারই
যে জয় করতে জানে,
ভোগ করা তারই সাজে।”

(৩৮)”মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।”

(৩৯)”মনে যখন একটা প্রবল আনন্দ
একটা বৃহৎ প্রেমের সঞ্চার হয় ,
তখন মানুষ মনে করে আমি সব পারি।”

(৪০)”পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমের মতো সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছু নাই।প্রথম যৌবনে বালিকা যাহাকে ভালোবাসে তাহার মতো সৌভাগবানও আর কেহই নাই।
যদিও সেই প্রেম অধিকাংশ সময় অপ্রকাশিত থেকে যায়।
কিন্তু সেই প্রেমের আগুন সেই বালিকাকে সারা জীবনই পোড়ায়।”

আমাদের প্রতিটি পোস্ট WhatsApp-এ পেতে ⇒ এখানে ক্লিক করুন
আপনার অভিযোগ / মতামত আমাদের জানান এই ঠিকানায় [email protected]
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের সাথে যুক্ত হোন : Facebook    Instagram    Twitter

Loading...