শত্রুপক্ষের প্যান্ট ভিজিয়ে বায়ুসেনায় সামিল, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ভারতের জঙ্গিবিমান ‘তেজস’!

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট ‘তেজস’। বায়ুসেনার Aero India শো-এর প্রথম দিনেই অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হল তেজস মার্ক ১ বিমানকে। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধবিমান ‘তেজস’ নি:সন্দেহে ভারতীয় বায়ুসেনার মুকুটে গুরুত্বপূর্ণ পালক৷ ফোর্থ জেনারেশন হালকা ওজনের এয়ারক্র্যাফট এটি। একাধিক দায়িত্ব পালনে সক্ষম। ভারতীয় বায়ুসেনায় মিগ ২১ এবং মিগ ২৭ বিমানের অভাব পূরণ করেছে তেজস।

ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধবিমান ‘তেজস’ নি:সন্দেহে ভারতীয় বায়ুসেনার মুকুটে গুরুত্বপূর্ণ পালক৷ ফোর্থ জেনারেশন হালকা ওজনের এয়ারক্র্যাফট এটি। একাধিক দায়িত্ব পালনে সক্ষম। ভারতীয় বায়ুসেনায় মিগ ২১ এবং মিগ ২৭ বিমানের অভাব পূরণ করেছে তেজস। বায়ু থেকে বায়ু মিসাইল উৎক্ষেপণে তেজস সক্ষম। সক্ষম আকাশ থেকে ভূমি মিসাইল উৎক্ষেপণেও। এছাড়াও জাহাজ বিধ্বংসী মিসাইল উৎক্ষেপণে পারদর্শী তেজস।

বায়ুসেনা প্রধানের কথায়, ‘পাকিস্তানের হাতে যদি জেএফ ১৭ থাকে, ভারতের হাতে তবে তেজস রয়েছে৷ জেএফ ১৭ পাকিস্তানের বর্তমান হতে পারে৷ তবে তাকে টক্কর দেওয়ার জন্য তৈরি তেজস, ভারতের ভবিষ্যত৷ প্রায় সাড়ে ১৩ মিটার লম্বা আর ১২ টন ওজনের এই তেজস যুদ্ধবিমানগুলোর সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৩৫০ কিলোমিটার।

বায়ুসেন প্রধান বিএস ধানোয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে সেই ছাড়পত্রের সার্টিফিকেট। বিএস ধানোয়া জানিয়েছেন এই এয়ারক্রাফট ‘যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।’

বায়ুসেনার সাম্প্রতিক প্রদশফনী ‘বায়ুশক্তি’ ও ২০১৮-র ‘গগনশক্তি’ ,হড়ায় নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিল তেজস। এক প্রকৃত যোদ্ধার মত আচরণ করেছিল বলে উল্লেখ করেছেন ধানোয়া।তিনি বলেন, ‘তেজসের মিসাইল রেঞ্জ, মাঝ আকাশে রিফুয়েলিং করার ক্ষমতা ও আকাশ থেকে মাটিতে বোমা নিক্ষেপ করার ক্ষমতা পরীক্ষা করেই এই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

জেনে নিন তেজস সম্পর্কে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

  • মিগ-২১ এর পরিবর্ত হিসেবে বায়ুসেনায় জায়গা নেবে তেজস।
  • তেজস-এর দায়িত্ব পেয়েছে বায়ুসেনার ৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। যার পোশাকী নাম ফ্লাইং ড্যাগার্স। এই স্কোয়াড্রন, এতদিন মিগ-২১ বাইসন বিমান উড়িয়েছে।
  • তেজস হল প্রথম ভারতে নির্মিত যুদ্ধবিমান যাতে ফ্লাই-বাই-ওয়্যার প্রযুক্তি রয়েছে। অর্থাৎ, এই যুদ্ধবিমানে প্রথাগত ম্যানুয়াল ইন্টারফেস-এর বদলে বসানো হয়েছে ইলেকট্রনিক ইন্টারফেস, যা আধুনিক বিমানেই থাকে।
  • এই যুদ্ধবিমানে রয়েছে গ্লাস ককপিট, যা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানে থাকে। এতে রয়েছে অত্যাধুনিক উপগ্রহ-নির্ভর নির্ভুল নেভিগেশন সিস্টেম।

Read More : পাকিস্তানকে ভাতে মারার চূড়ান্ত কৌশল তৈরি, ঐতিহাসিক সিধান্ত নিল ভারত

  • চালকের সহায়তার জন্য রয়েছে হেলমেট-মাউন্টেড ডিসপ্লে (যা অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানে থাকে)
  • এতে রয়েছে ডিজিটাল কম্পিউটার এবং অটোপাইলট। এই বিমান এয়ার-টু-এয়ার (এএএম), বম্ব এবং লেজার গাইডেড মিসাইল নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
  • ভবিষ্যতে এর মধ্যে বিয়ন্ড ভিজুয়াল রেঞ্জ (বিভিআর) মিসাইন বা দেখার সীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
  • তেজস তৈরি করেছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড(হ্যাল)
  • এটি মাল্টি-রোল, সুপারসনিক এক-ইঞ্জিন বিশিষ্ট ফাইটার জেট। এই বিমানের ডিজাইন, গবেষণা এবং নির্মাণ পুরোটাই ভারতে হয়েছে।