ছবি দেখে পছন্দ হয়নি শ্রুতিকে, অভিনেত্রীকে চড়িয়ে দিতে ইচ্ছা করতো স্বর্ণেন্দুর

শ্রুতিকে দু চোখে দেখতে পারতেন না স্বর্ণেন্দু, ইচ্ছা করতো চড়িয়ে দিতে

Swarnendu Samaddar Reveals His Love Life with Shruti Das on Didi No 1

টলিউড (Tollywood) পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার (Swarnendu Samaddar)এবং অভিনেত্রী শ্রুতি দাসের (Shruti Das) সম্পর্ক নিয়ে এখন আর কোনও রাখঢাক নেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে অকপটে তারা তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi Number One) এর মঞ্চে পরিচালক এবং নায়িকা জুটি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন হোলি স্পেশাল এপিসোড খেলতে। তাদের প্রেমের গল্পটা অনেকেরই জানা। রচনা ব্যানার্জীর সামনে একে অপরের বিষয়ে আরও কিছু তথ্য ফাঁস করলেন তারা।

স্বর্ণেন্দু সঙ্গে শ্রুতির বয়সের ফারাকটা অনেক বেশি। তবে তা তাদের সম্পর্কের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়নি। একটা সময় ছিল যখন তারা একে অপরকে সহ্য করতে পারতেন না। সেই অপছন্দের জায়গা থেকে কিভাবে প্রেম পেল পরিণতি? প্রায় আড়াই বছর সম্পর্কে রয়েছেন শ্রুতি এবং স্বর্ণেন্দু। আড়াই বছর আগে একে অপরকে কিভাবে দেখতেন তারা?

স্বর্ণেন্দুর সঙ্গে শ্রুতির প্রথম আলাপ হয়েছিল স্বর্ণেন্দু পরিচালিত ‘ত্রিনয়নী’ ধারাবাহিক মারফত। এই ধারাবাহিক দিয়েই বাংলা টেলিভিশনের ডেবিউ করেছিলেন শ্রুতি। শ্রুতির ছবি দেখেই নাকি নাকচ করে দিয়েছিলেন স্বর্ণেন্দু। শ্রুতিকে যিনি কাস্ট করেছিলেন তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, “এই মেয়েটা ছাড়া আর কাউকে পেলে না তোমরা?” তারপর যখন শুটিং আরম্ভ হল তখনও শ্রুতির ওপর রেগে থাকতেন পরিচালক।

এদিকে শ্রুতি ধীরে ধীরে পরিচালককেই মন দিয়ে বসেন। তবে স্বর্ণেন্দু সহজে ধরা দিতে রাজি ছিলেন না। উল্টে তার নাকি শ্রুতির উপর এমন রাগ হতো যে তিনি বাড়ি ফিরে মাকে গিয়ে বলতেন, “ওই নায়িকাটাকে আমি দেখ কোন দিন চড় মেরে দেব”! তবে শ্রুতিও ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী নন। পরিচালক যখন কিছুতেই ধরা দিতে নারাজ তখন সরাসরি স্বর্ণেন্দু মায়ের কাছেই চলে যান তিনি।

অবশেষে স্বর্ণেন্দুর বরফের মত মন গললো। প্রায় ছয় মাস শ্রুতিকে অপেক্ষা করিয়ে তিনি জবাব দিলেন ‘আই লাভ ইউ টু’! এখন চুটিয়ে প্রেম করছেন দুজনে। কবে বিয়ে করবেন? রচনার প্রশ্নের জবাবে স্বর্ণেন্দু জানালেন বিয়ে নিয়ে এখনই কোনও ভাবনা নেই তাদের মধ্যে। তারা যেভাবে দুই পরিবার মিলেমিশে থাকছেন তার সঙ্গে বিয়ের কোনও আলাদা পার্থক্য নেই বলেই মনে করেন। স্বর্ণেন্দুর কথায়, বিয়ে হল একটা সামাজিক স্বীকৃতি যার ফলে শ্রুতি স্বর্ণেন্দুর বাড়িতে গিয়ে থাকবেন। এর বেশি আর কিছুই নয়।