সেরা বিজ্ঞানীর সম্মান পেল সৌজন্য! পুরস্কার নিতে উড়ে যাবে সুইজারল্যান্ড

খড়কুটোর (Khorkuto) মুখার্জি পরিবারে বহুদিন পর খুশির রোশনাই জ্বলে উঠেছে। উৎসবের মুহুর্তে পরিবারের সকল সদস্য একসঙ্গে এসেছেন। মান অভিমান ভুলে গুনগুনও ফিরে এসেছে তার শ্বশুরবাড়িতে। পুজোর মরসুমে মুখার্জি বাড়িতে খুশির মেলা। মুখার্জি বাড়ির দুর্গোৎসবে মেতে উঠেছে সকলে। তার মাঝেই পাওয়া গেল আরও একটি খুশির খবর। সেরা বিজ্ঞানীর সম্মান পাচ্ছে সৌজন্য!

সৌজন্য তার গবেষণার দরুন এই সম্মান পাচ্ছে সুইটজারল্যান্ড থেকে। প্রতিবছর সারাবিশ্বের মাত্র ৬ জন বিজ্ঞানীকে এই সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাদের মধ্যেই একজন সৌজন্য। এই খবরে আনন্দে আত্মহারা বাড়ির সকলে। গুনগুনও বরের এই সাফল্যে আনন্দে লাফিয়ে উঠেছে। সে তার ‘ক্রেজি’কে নিয়ে ভীষণ গর্বিত। ‘ক্রেজি’ সুইজারল্যান্ড যাবে, সেরা বিজ্ঞানীর পুরস্কার নেবে! আনন্দে লাফাচ্ছে গুনগুন।

পুজোর মরসুমে বিদেশ থেকে সৌজন্যের বাড়িতে এসেছেন সাহেব প্রফেসর। বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উৎসব নিয়ে গবেষণা করছেন তিনি নিজেও। সৌজন্যের বাড়িতে এসে খুশীর আনন্দে মেতে ওঠেন সাহেব প্রফেসর। প্রফেসরের ভাঙ্গা বাংলা শুনে হেসে কুটোপাটি হয়েছেন দর্শক। এবার সেই প্রফেসরই মুখার্জি বাড়িতে এসে সুখবরটা শোনালেন। তিনিই জানালেন সেরা বিজ্ঞানী হিসেবে এত বড় সম্মান পেতে চলেছে সৌজন্য।

সাহেব প্রফেসর এদিন সৌজন্যের বাড়িতে আসেন। সঙ্গে ছিল তিন্নি। তিন্নি প্রথমে সৌজন্যের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়। তারপর সৌজন্যের স্যার ওই সাহেব জানান সৌজন্য এই বছর সুইজারল্যান্ডের তরফ থেকে সেরা বিজ্ঞানীর অ্যাওয়ার্ড পাবে। বাড়ির সকলে তো এই সংবাদে বেজায় খুশি। গুনগুন নিজের উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারেনি। সে আনন্দে লাফিয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, সৌজন্যের স্যার মুখার্জি বাড়িতে এসে দুর্গোৎসবের আনন্দ উপভোগ করছেন। তার সঙ্গে তিন্নিরও আসা-যাওয়া চলছে মুখার্জি বাড়িতে। তিন্নিকে অবশ্য সহ্য করতে পারে না কেউই। বিশেষত গুনগুনের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার জন্য মুখার্জি বাড়ির সদস্যরা তিন্নিকে বিশেষ পাত্তা দেন না। আগামী দিনে গুনগুন এবং সৌজন্যের সম্পর্কের মধ্যে সে কী ভূমিকা নেবে তা সময়ই বলবে।