ফুটপাতের শাড়িই সেরা, গড়িয়াহাট ফুটপাতে দরদাম করে শাড়ি কিনলেন ইন্দ্রানী হালদার

মহালয়ার পরপরই কার্যত বাঙালির দুর্গোৎসব শুরু। কুমোরটুলির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে বাঁশ, খুঁটি, প্যান্ডেলের সাজে দূর্গামন্ডপ সাজানোর পাশাপাশি উৎসবের কেনাকাটাও চলছে রমরমিয়ে। তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ, এই নিয়মের অন্যথা নেই। এই যেমন সম্প্রতি ইন্দ্রানী হালদার (Indrani Halder) পূজোর পাঁচ দিনের জন্য ফুটপাথ থেকে কিনে ফেললেন পাঁচটি শাড়ি।

সাধারনত তারকারা ফুটপাথ থেকে জিনিস কিনছেন, এই দৃশ্য বিরল। তবে ইন্দ্রানী হালদারের কাছে কিন্তু সেসব কিছুরই বালাই নেই। যেখানে সস্তায় ভাল মানের শাড়ি পাওয়া যায়, ইন্দ্রানী সেখানেই ভিড় জমান। তবে অসুবিধা একটাই, কেউ মুখ চিনে ফেললেই মুশকিল। সকলে তখন ছেঁকে ধরতে চান অভিনেত্রীকে। এমনই এক অভিজ্ঞতা হলো গড়িয়াহাট ফুটপাথে শাড়ি কিনতে এসে।

যদিও নিজের পরিচয় গোপন রাখতে মুখোশের আড়ালে মুখ লুকিয়ে ছিলেন ইন্দ্রানী। কিন্তু তাও অভিনেত্রীকে চিনে নিতে ভুল করেননি শাড়ি বিক্রেতারা। একসঙ্গে পাঁচ-পাঁচজন বিক্রেতা তাকে চেপে ধরেন। সকলের একটাই আবদার, ‘‘দিদি, আমাদের থেকে নিয়ে দেখুন। ভাল শাড়ি পাবেন।’’

নাছোড়বান্দা শাড়ি বিক্রেতারা তো কিছুতেই ইন্দ্রানীকে ছাড়তে নারাজ। অগত্যা কী আর করা! পাঁচজন শাড়ি বিক্রেতার থেকে একটি করে শাড়ি নিয়েই শেষমেষ রেহাই পেলেন অভিনেত্রী। এই অভিজ্ঞতাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ধারাবাহিকের শুটিংয়ের ফাঁকেই গড়িয়াহাটের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে কী মহা সমস্যায় পড়ে যান তিনি!

চ্যানেলের ফেসবুক পেজ খুলে ইন্দ্রানী বলেন, ‘‘হঠাৎ করেই তাড়াতাড়ি কাজ শেষ। বেরিয়ে পড়লাম কেনাকাটা সারতে। বাসন্তী দেবী কলেজের সামনে দিয়ে মুখোশ এঁটে হাঁটছি। ফুটপাথে প্রচুর শাড়ির দোকান, ভিড়। তাতেও কী করে যেন চিনে ফেলল সবাই!’’

ইন্দ্রানী আরও জানিয়েছেন, তিনি যে সবসময় নামিদামি সংস্থার দামী দামী শাড়ী-পোশাক পরেন তা কিন্তু নয়। সস্তা দামের মধ্যে ভালো মানের শাড়ি খোঁজেন তিনি। তার জন্য গড়িয়াহাট ফুটপাত সকলের সেরা। পুজোর জন্য কেনা নতুন শাড়ি পরে অভিনয়ও সেরে ফেলেছেন অভিনেত্রী। বিক্রেতাদের তিনি কথা দিয়েছেন, পুজোতে তাদের কাছ থেকে কেনা শাড়ি পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি আপলোড করবেন ইন্দ্রানী।