থাকবে না অর্থকষ্ট, মিলবে ঋণ থেকে মুক্তি, হোলিতে মেনে চলুন কয়েকটি টোটকা

রাধাকৃষ্ণের দোল উৎসব থেকে দোল খেলার সূচনা হয় আর নরসিংহ অবতার এর আবির্ভাবের আগে হোলিকা দহন থেকে হোলি উৎসব সৃষ্টি হয়। দোল আর হোলির মাঝখানে এক দিনের পার্থক্য। প্রতিবছরের মতো এই বছরও দোলের রঙে  ভরে উঠে আমাদের চারপাশ।

দোল পূর্ণিমা ও হোলি এই দুটি উৎসবই  ভগবান বিষ্ণুর দুই  অবতার এর সঙ্গে সংযুক্ত। তাই এই শুভ দুই তিথিতে কতগুলি কার্য পড়লে ভাগ্য ফিরবে, সৌভাগ্যের উদয় হবে। হোলির দিন কতগুলি উপায় অবলম্বন  করলেন ঋণে জর্জরিত ব্যক্তির  ঋণ মুক্তি ঘটবে, ব্যক্তির জীবনে অর্থের সঞ্চয় হয় ও ব্যবসায় উন্নতি, দাম্পত্য জীবনে সুসময় সহ একাধিক শুভ ঘটনা ঘটে।

১। ঋণ মুক্তির জন্য : ঋণ মুক্তির জন্য হোলির দিনে নৃসিংহ স্তোত্র পাঠ করতে হয় এছাড়া ন্যাড়াপোড়ার সময় আগুনের মধ্যে নারকেল অর্পণ করতে হয়।

২। ব্যবসায় উন্নতির জন্য : ব্যবসার  বৃদ্ধি ঘটাতে  চাইলে হোলির দিনে শিবলিঙ্গে ২১ টি গোমতী চক্র অর্পন করতে হয় ও হোলির রাতে ‘ওম নম ধনদায় স্বাহা’মন্ত্র জপ করতে হয়।

৩। দাম্পত্য জীবনের সমস্যার সমাধানের জন্য : হোলির দিন রাতে উত্তর দিকে একটি পিড়ি পেতে তার ওপর সাদা কাপড় দিয়ে সেই কাপড়ের  মধ্যে মুগ, ছোলার ডাল, চাল, গম, মসুর ডাল, কালো বিউলির ডাল, তিল রাখতে হয়। এর ওপর একটি নবগ্রহ যন্ত্র স্থাপন করতে হয়। তারপর ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান ও জাফরানের তিলক লাগান। এরপর নবগ্রহ, কামদেব -রতির  পুজো করতে হয়। এরকমটা করলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে মাধুর্য আসবে।

৪। অর্থ সঞ্চয় এর জন্য : অনেক ব্যক্তি থাকেন যাদের অর্থের ক্ষেত্রে অনেক রকমের অপব্যয় হয়, কিছুতেই অর্থ সঞ্চয় হয় না তারা ন্যাড়া  পোড়ানোর সময়ে আগুনের মধ্যে যবের আটা অর্পণ করে দিন। এরপর ন্যাড়াপোড়ার সেই ভস্ম একটু সংগ্রহ করে সেটিকে রুমালে বেঁধে নিতে হয়। এই রুমালটি  সেখানেই রাখতে হয় যেখানে আপনি টাকা রাখেন। এর ফলে আপনার জীবনে অর্থের অপব্যয় কমে যাবে‌।