বন্ধ হয়ে গেল ২ হাজার টাকার নোট ছাপা, জেনে নিন কেন?

470

২০১৬ সালের ৮ই নভেম্বর দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হঠাৎ সন্ধ্যাবেলায় ঘোষণা করেছিলেন পাঁচশো ও হাজার টাকার মত বড় অঙ্কের নোট বাজেয়াপ্ত করার কথা। রাতারাতি সেদিন এই ঘোষণার পরে পরের দিন থেকে যেমন দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছিল ব্যাংক এবং এটিএম গুলিতে। আর সেদিনের ঘটনার পর বিরোধী থেকে সমালোচকেরা সকলেই মোদি সরকারের সমালোচনা করতে ছাড়েননি।

নোট বন্দির পর মোদি সরকার বাজারে এনেছিল বড় অঙ্কের ২০০০ টাকার নোট। যাতে সাময়িকভাবে অর্থের আকাল সামাল দিলেও অন্যদিকে বেড়েছিল খুচরোর আকাল। আর এ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল বড় এই নোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে। সমালোচকদের এ সময় বক্তব্য ছিল বড় অঙ্কের এই নোটের মাধ্যমে মোটা টাকা মজুদ করা হবে। পাশাপাশি আশঙ্কা করা হয়েছিল হাওলাদারদের এই বড় অঙ্কের নোট সাহায্য করবে।

২০১৮ সালের ৩১ শে মার্চের হিসেব অনুযায়ী দেশের আর্থিক বাজারে ঘুরছে ১৮.৩ লাখ কোটি টাকা। যার মধ্যে ৩৭ শতাংশ অংশ দখল করে আছে এই ২০০০ টাকার নোট এবং ৪৩ শতাংশ অংশের দখল ৫০০ টাকার নোট। ফলে বড় নোট চালু করে কালো টাকা রোখার যে চেষ্টা সরকার করেছিল তা একপ্রকার ধাক্কাই খেল। দ্যা প্রিন্ট-এর খবর অনুযায়ী সরকার এখন সেই আশঙ্কাই করছে।

আরও পড়ুন : প্রকাশ্যে এল নরেন্দ্র মোদীর সম্পত্তির পরিমাণ! কত কোটি টাকার মালিক মোদীজি?

দ্য প্রিন্ট এর খবর অনুযায়ী ভারতীয় সরকার এই কারণেই বন্ধ করে দিচ্ছে ২০০০ টাকার নোটের ছাপার কাজ। তাহলে কি আবার এই নোট নিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ গ্রাহকদের? সে বিষয়ে জানানো হয়েছে ভারত সরকার ধীরে ধীরে এই নোট বাজার থেকে তুলে নিচ্ছে।