শুটিং ছেড়ে ঘুরতে গেলেন গদাই ঠাকুর ও রানী রাসমণি, রইলো ফটো অ্যালবাম

টালিগঞ্জের ইন্দ্রপুরী থেকে সোজা সমুদ্রের পারে।শুটিং শেষ হতেই রওনা দিলেন রানিমা, গদাধর ও ভূপাল।তবে একা নয়,২২ জন মিলে ঘুরতে গিয়েছিলেন তারা। ডেস্টিনেশন, তাজপুর। কেমন ঘুরলেন তারা? সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার ডিজিটাল সাথে ঘুরতে যাওয়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন এই টেলি তারকারা।

২২ জনের গ্রুপে অনেকের সাথে অনেকের প্রথম আলাপ হয়েছে, কিন্তু তাতে আনন্দে কোনও ভাটা পড়েনি।বরং সবাই মিলে নাচ-গান আড্ডায় মাতিয়ে দিলেন ভ্যাকেশন ট্যুর। তারা প্রথম গিয়ে পৌঁছেছিলেন রাত বারোটায়।সারাদিন শুটিং এর ক্লান্তি থাকলেও রিসোর্টে ঢুকে সমুদ্রের কাছে আসার আনন্দে ক্লান্তি যেন হাওয়ার সাথে মিশে গেল।

মাঝ রাতে হোটেলে ঢুকে হাতপা ধুয়ে সারারাত ধরে আড্ডা মারলেন ২২ জন মিলে। ভোরের দিকে হালকা একটু ঘুম দিয়েই সকালে আবার তারা চললেন সমুদ্র সৈকতের দিকে। সৌরভের চেনাজানা সূত্রে একটি ছাউনি বুক করা হয়েছিল। সেখানে বসে খাওয়া-দাওয়া করেন তারা। টেলি তারকাদের মেনুতে ছিল পমফ্রেট, আমোদি, ভেটকি আরও কত কি!

সমুদ্রে স্নান করা হয়নি তাদের বরং একটু পা ডুবিয়েই সমুদ্রের হাওয়ায় শহরের ক্লান্তি দূর করে নিয়েছেন তারা।সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বাসবাবু জানান, বিছে গিয়ে সৌরভ সাহার (Sourav Saha) ছেলে বালি দিয়ে নানারকম কিছু তৈরি করার চেষ্টায় মজেছিলেন।অন্যদিকে তাদের সাথে জুড়েছিলেন সদ্য অষ্টাদশী দিতিপ্রিয়া।বালির মধ্যে নাম লিখতে,দুর্গ বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনিও।

সন্ধে নামলে এক আলাদা আনন্দ হয়েছে তাদের এই ছোট্ট ট্রিপে। আগুন জ্বালিয়ে গান বাজনা শুরু করেন তারা।তবে সবথেকে মজার বিষয় হলো,সেখানকার স্থানীয়রা এমনকি ট্যুরিস্টরাও প্রথমে চিনতে পারেননি তাদের। সমুদ্রে বেড়াতে গিয়ে রোদ চশমা,রং বেরংয়ের জামা কাপড় পড়ে ভোল বদলে ফেলেছিলেন তারা।

দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy) জানান, ‘‘তবে শুধু চিনতে পারার সমস্যা হয়নি। ২২ জনের ভিড়ের মধ্যে আমাদের খুঁজে পাওয়াটাও বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর আমরা যেখানেই যাই, এমনই হুল্লোড় করে থাকি।’’তবে পড়ে তাদের চিনতে পেরে তাদের ঘিরে ভিড় জমিয়ে ফেলেন পর্যটকরা।তাদের সাথে ছবি তোলা,কথা বলা সবই করেন তারকারা।

ইতিমধ্যেই তাদের এই ছোট্ট ট্রিপের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া।অনেকে বলছেন, রাণীমা,রামকৃষ্ণ এবং ভোপালের গায়ে লেগেছে একবিংশ শতাব্দীর ছোঁয়া।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Susmita S Mukherjee (@susmita.suss)