প্রশ্নের মুখে রামকৃষ্ণ! মাতৃভাবে শাড়ি পড়ায় ক্ষুন্ন হচ্ছে সন্মান,পাল্টা জবাব ছোট ঠাকুরের

দুর্গাপূজার মরসুমে গদাই ঠাকুরের মনে জেগেছিল মাতৃভাব। রামলালার আগমনে তার মনে পূর্ণ মাতৃভাব জেগে ওঠে। অথচ রামলালাকে একমাত্র গদাই ঠাকুর ছাড়া দেখতে পাচ্ছিলেন না কেউই। তাই বাইরে থেকে দেখে গদাইয়ের এই ভাব বোঝা সম্ভব হচ্ছিল না অন্যদের। অনেকের চোখেই গদাইয়ের জেগে ওঠা মায়ের মমতা কার্যত অস্বাভাবিক বলেই মনে হয়েছিল।

খবর পেয়ে সাততাড়াতাড়ি সমাজের জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিদের নিয়ে দক্ষিণেশ্বরের ভবতারিণী মন্দির এসে হাজির হয়েছিলেন নগেন চৌধুরী। মন্দিরের পুরোহিত কিনা শাড়ি পরে, কপালের সিঁদুরের টিপ পরে মন্দির চত্বরে ঘুরে বেড়াচ্ছে! এতে তার সম্মান যাচ্ছে কোথায়? প্রশ্ন তোলেন হারান ঠাকুর। সেই প্রশ্নের উপযুক্ত জবাবই দিলেন রামকৃষ্ণ। কিন্তু তা বুঝে ওঠা সম্ভব হলো না বাকিদের পক্ষে।

ঈশ্বরের বরপুত্র রামলালাকে দেখার পর থেকেই তার প্রতি মায়ের মমতা বোধ করতে থাকে গদাই। ঈশ্বরের আসনে সে রামলালাকেই বসে থাকতে দেখে। আবার রামলালাও তাকে ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে নারাজ। তিনিও যেন খুনসুটিতে মেতে উঠেছেন মায়ের সঙ্গে। গদাই মা কৌশল্যার মতো আগলে আগলে রাখছেন তার সন্তানকে। তাকে খাওয়ানোর জন্য অস্থির হয়ে উঠছে। কখনও আবার তাকে দেখতে না পেয়ে মায়ের মতোই আকুল হয়ে উঠছে গদাই।

তবে এই দৃশ্য কার্যত অন্যদের চোখে অস্বাভাবিক ঠেকেছে। তাই তারা গদাই ঠাকুরের কাছে ছুটে এসে তাকে প্রশ্নবানে জর্জরিত করে তোলে। তবে সকলের প্রশ্নের উত্তর বেশ হাসি মুখেই দিলেন রামকৃষ্ণ। যদিও তার সকল কথার মানে বোঝা সাধারণের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই তাকে সঠিকভাবে বুঝে উঠতে পারলেন না হারান ঠাকুর, নগেন চৌধুরীরা। শেষমেষ রামকৃষ্ণের কীর্তিকলাপকে অনাচার বলে অভিযোগ করতে শুরু করেন তারা।

সম্প্রতি চ্যানেলের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে রানী রাসমণি উত্তর পর্বের কিছু ঝলক। তাতেই ছিল এই ভিডিওটি। গদাইয়ের প্রত্যুত্তরে সকলেই তাদের প্রশ্নের জবাব পেয়ে গিয়েছেন। দেখে নিন সেই ভিডিও :-