স্মৃতির বেদনায় বিদ্ধ রচনা, প্রয়াত বাবার স্মৃতি আঁকড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী

প্রয়াত বাবার স্মৃতি আঁকড়ে ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রচনা ব্যানার্জি

Rachana Banerjee went Emotional on Facebook Live for Her Father

সদ্য বাবাকে হারিয়েছেন রচনা ব্যানার্জি (Rachana Banerjee)। গত নভেম্বর মাসে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে প্রয়াত হয়েছেন রচনা ব্যানার্জীর বাবা রবীন্দ্রনাথ ব্যানার্জি (Rabindranath Banerjee)। এতে মানসিকভাবে ভীষণ আঘাত পেয়েছেন রচনা। কারণ তার জীবনের প্রত্যেক পর্যায়ে বাবাই ছিলেন তার অনুপ্রেরণা। বাবাকে ছাড়া রচনার রচনা ব্যানার্জি হয়ে ওঠা সম্ভব ছিল না।

‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ (Didi Number One) সঞ্চালিকা শুটিংয়ের বাইরে নিজের জন্য আলাদা ব্যবসা খুলে বসেছেন। শাড়ির সম্ভার নিয়ে ‘রচনা’স ক্রিয়েশন’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে হাজির তিনি। তবে আচমকা বাবার মৃত্যুর কারণে ‘রচনা’স ক্রিয়েশন’ কিছুদিনের জন্য বন্ধ ছিল। সবকিছু সামলে আবার অনুরাগীদের জন্য শাড়ির কালেকশন নিয়ে হাজির হলেন রচনা। বাবার মৃত্যুর পর এটাই ছিল তার প্রথম লাইভ। তাই লাইভে এসে প্রথমেই তিনি অনুরাগীদের থেকে ক্ষমা চেয়ে নিলেন।

এদের লাইভ শুরু করার মুহূর্তে নেটিজেনদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন দিদি। তারপর বাবার কথা বলতে গিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন রচনা। রচনা বলেন সেই শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত তিনি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন তা বাবার অনুপ্রেরণা ছাড়া সম্ভব ছিল না। প্রতিমুহূর্তে বাবা ছিলেন তার পাশে। বাবা না থাকলে রচনা ব্যানার্জি হয়ে ওঠা সম্ভব ছিল না তার পক্ষে। এ কথা বলতে বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন রচনা।

বাবার মৃত্যুতে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন তিনি। যে কারণে সাময়িকভাবে তাকে তার কাজ বন্ধ রাখতে হয়। তবে বাবার বলে যাওয়া কথা থেকে তিনি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। সঙ্গে মায়ের অনুপ্রেরণা তাকে আবার কাজে ফিরে আসতে সাহায্য করেছে। মন শক্ত করে কাজে ফিরেছেন রচনা, নিজের জন্য এবং সকলের জন্য।

রচনা এও জানালেন তার জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে বাবা কেমনভাবে তার পাশে থেকেছেন। এমনকি তিনি যখন ‘দিদি নাম্বার ওয়ান’ এর পর শাড়ির ব্যবসা খুলতে চাইছিলেন তখনও তার বাবা পাশে থেকেছেন। অভিনয় হোক বা ব্যবসা, তাকে মন দিয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন অনবরত। আজ বাবা পাশে না থাকলেও রচনা বাবার স্মৃতি আঁকড়ে ফের তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন। সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও সামনের প্রতিটি দিনে এভাবেই তিনি তার বাবাকে পাশে পাবেন। নেটিজেনরা দিদির মনের ভার লাঘব করার প্রার্থনা জানাচ্ছেন।