বিচ্ছেদের পর নতুন সম্পর্কে জড়ালেন রচনা, অতীত ভুলে নতুন সংসার শুরু করলেন অভিনেত্রী

সেরা মা রচনা ব্যানার্জী, ছেলের জন্য অতীত ভুলে নতুন সংসার শুরু করলেন রচনা

বাংলার দিদি নাম্বার ওয়ান (Didi Number One) রচনা ব্যানার্জী (Rachana Banerjee)। তাকে নায়িকা নাম্বার ওয়ান থেকে শুরু করে মেয়ে নাম্বার ওয়ান, মা নাম্বার ওয়ান হিসেবেও সম্মান করে গোটা বাংলা। তবে তিনি সেরা বউ হতে পারেননি। এই প্রসঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন ‘কম্প্রোমাইজ’ করতে পারেননি বলেই নাকি তিনি সেরা স্ত্রী হয়ে উঠতে পারেননি। তবে মা হিসেবে তাকে ১০০ তে ১১০ দেওয়া যেতেই পারে।

শত ব্যস্ততার মাঝেও রচনা ছেলের প্রতি তার দায়িত্বকে কখনও অস্বীকার করেননি। তিনি একজন সিঙ্গেল মাদার। তার কাছে থেকেই বড় হচ্ছে তার ছেলে প্রণীল। প্রণীল এখন কিশোর। সে যখন ছোট ছিল তখনই স্বামী প্রবাল বসুর থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন রচনা। তবে তারা ডিভোর্স নেননি বলেই জানা যায়। ছেলের কথা ভেবেই নাকি আজও এই ভাঙ্গা সম্পর্ক আলগা সুতোয় বেঁধে রেখেছেন দুজনে। তবে এবার তাদের নিয়ে এল একটি সুখবর।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়াতে আবার একসঙ্গে দেখা গেল প্রবাল এবং রচনাকে। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর পর প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে একই ফ্রেমে ধরা দিলেন রচনা। তাদের দুজনের মাঝে দেখা গেল ছেলে প্রনীলকেও। দুর্গাপুজোতে একটি প্যান্ডেলে ঘোরার ফাঁকে তোলা হয়েছে ছবিটি। স্বামী-স্ত্রী এবং সন্তানকে একই ফ্রেমে দেখে নেটিজেনরা বলছেন রচনার ভাঙ্গা সংসার এতদিনে পূর্ণ হল।

ছবিটি কোন প্যান্ডেলে তোলা হয়েছে তা জানা যায়নি। জানা যায়নি এই ছবি কোন সময়ের পূজোয় তোলা। তবে ছেলে যেহেতু যথেষ্ট বড় তাই দেখে মনে হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যেই ছবিটি তোলা হয়েছিল। এই ছবি দেখে নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি শেষমেষ ছেলের কথা ভেবেই অতীত ভুলে আবার এক হলেন রচনা-প্রবাল?

ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানা-পোড়েনের কারণে আলাদা হয়ে যাওয়াটাই দুজনের জন্য ভাল বলে মনে করেছিলেন রচনা এবং প্রবাল। সেই মত তারা নিঃশব্দেই আলাদা হয়ে যান। কেউ কারওদিকে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করেননি। এরজন্য রচনার বুদ্ধির তারিফ করেন তার ভক্তরা। পরস্পরের থেকে আলাদা হয়ে গেলেও সুন্দর একটি সম্পর্ক আজও রয়ে গিয়েছে তাদের মধ্যে।

বাবা-মা আলাদা থাকলেও প্রণীল কিন্তু দুজনেরই ভালবাসা পাচ্ছে। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা হয়নি বলে ছেলেকে কিন্তু প্রবালের থেকে দূরে করে দেননি রচনা। বরং সেপারেশনের পর এখন প্রবালের সঙ্গে তার আলাদা একটা বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এত বছর পেরিয়ে গেলেও সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেছেন তারা ছেলের কথা ভেবেই।