কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন পাল্টানো কিছু বিখ্যাত উক্তি ও বাণী

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন পাল্টানো কিছু বিখ্যাত উক্তি ও বাণী

আজ ২৫ শে বৈশাখ। আজ আমাদের সবচেয়ে প্রিয় কবি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। তিনি সকল প্রকার মানুষের মন অনায়াসে বুঝতে পারতেন। তাই তার লেখনীতে আমরা পাই নারী পুরুষ সকল প্রকার মানুষের অন্তরের দ্বন্দের কথা। তার রচনা আমাদের বাঁচার প্রেরণা যোগায়। তার গান ও নৃত্য মনে এক নতুনত্বের ধারা সঞ্চার করে। সৃষ্টিকে ও স্রষ্টাকে যে ভালোবাসার বন্ধনে একাকীত্ব করেছেন তিনি। মানব হৃদয় ও মস্তিষ্ক যে বদ্ধ প্রাচীরের মধ্যে থেকে জ্ঞান  অর্জন করতে পারে না তা তার বিশ্বভারতী সৃষ্টির মাধ্যমে জগতে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি তার দর্শনের মাধ্যমে আমাদের দিয়ে গিয়েছেন অমূল্য কিছু উক্তি যা আজকের প্রতিবেদনে আমরা জানাবো। আর এইভাবেই এই প্রথম ভারতীয় নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঐশ্বরিক ক্ষমতা সম্পন্ন পরম পুরুষ আমাদের প্রাণের রবি ঠাকুরকে জানাবো আমাদের বিশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি।

রবি ঠাকুরের বিখ্যাত কিছু উক্তি

(১)”যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে”

(২) “মানুষের মধ্যে দ্বিজত্ব আছে; মানুষ একবার জন্মায় গর্ভের মধ্যে, আবার জন্মায় মুক্ত পৃথিবীতে…মানুষের এক জন্ম আপনাকে নিয়ে, আর এক জন্ম সকলকে নিয়ে।”

(৩) “অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে।”

(৪)”আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।”

(৫”) “সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে প্রভেদ এই যে, সাধুরা কপট আর অসাধুরা অকপট।”

(৬) “নিন্দা করতে গেলে বাইরে থেকেই করা যায়, কিন্তু বিচার করতে গেলে ভিতরে প্রবেশ করতে হয়।”

(৭)”গোলাপ যেমন একটি বিশেষ জাতের ফুল, বন্ধু তেমনই একটি বিশেষ জাতের মানুষ।”

(৮) “মানুষ পণ করে, পণ ভাঙিয়া ফেলিয়া, হাঁফ ছাড়িবার জন্য।”

(৯) “যে পুরুষ অসংশয়ে অকুণ্ঠিতভাবে, নিজেকে প্রচার করিতে পারে। সেই সমস্ত পুরুষ সহজেই, নারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করিতে পারে।”

(১০)”যে ধর্মের নামে বিদ্বেষ সঞ্চিত করে, ঈশ্বরের অর্ঘ্য হতে, সে হয় বঞ্চিত।”

(১১)”ভয়ের তাড়া খেলেই, ধর্মের মূঢ়তার পিছনে, মানুষ লুকাতে চেষ্টা করে।”

(১২)”সংসারে সাধু-অসাধুর মধ্যে, প্রভেদ এই যে সাধুরা কপট, আর অসাধুরা অকপট।”

(১৩) “ক্ষমাই যদি করতে না পারো, তবে তাকে ভালোবাসো কেন? ”

(১৪) “তোমার পতাকা যারে দাও, তার বহিবারে দাও শক্তি।”

(১৫) “সোহাগের সঙ্গে রাগ না মিশিলে, ভালোবাসার স্বাদ থাকে না-তরকারিতে লঙ্কা মরিচের মতো।”

(১৬) “শিমুল কাঠই হোক, আর বকুল কাঠই হোক আগুনের চেহারাটা একই।”

(১৭) “পৃথিবীর সবচাইতে বড় দূরত্ব কোনটা জানো? নাহ, জীবন থেকে মৃত্যু পর্যন্ত উত্তরটা সঠিক নয়। সবচাইতে বড় দূরত্ব হলো আমি তোমার সামনে থাকি, কিন্তু তুমি জানো না যে, আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি।”

(১৮) “প্রেমের আনন্দ থাকে অল্পক্ষণ, কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।”

(১৯) “সাধারণত স্ত্রী জাতি কাঁচা আমি,ঝাল লঙ্কা এবং কড়া স্বামীই ভালোবাসে। যে দুর্ভাগা পুরুষ নিজের স্ত্রীর ভালোবাসা হতে বঞ্চিত হয়,সে কুশ্রী অথবা ধনহীন তা নহে,সে নিতান্তই নিরীহ।

(২০) যে মরিতে জানে, সুখের অধিকার তাহারই। যে জয় করতে জানে, ভোগ করা তারই সাজে।”

(২১) “পৃথিবীতে বালিকার প্রথম প্রেমের মতো সর্বগ্রাসী প্রেম আর কিছু নাই।প্রথম যৌবনে বালিকা যাহাকে ভালোবাসে তাহার মতো সৌভাগবানও আর কেহই নাই। যদিও সেই প্রেম অধিকাংশ সময় অপ্রকাশিত থেকে যায়। কিন্তু সেই প্রেমের আগুন সেই বালিকাকে সারা জীবনই পোড়ায়।”