শুধু করোনা নয়, এই ৪ রোগে আক্রান্ত হলেও মিলবে ১৪ দিনের ছুটি

করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে হোম আইসলেশন বা কোয়ারেন্টাইনের (Quarantine) শব্দটি প্রায়ই শোনা যায়। এর অর্থ সংক্রমক রোগ সম্পূর্ণ ঠিক না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে নিজের খেয়াল রাখা এবং অন্যান্য ব্যাক্তিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা যাতে সেই সংক্রমক ব্যাধি আরও ছড়িয়ে না পরে।

এতদিন পর্যন্ত করোনা সংক্রমনের ক্ষেত্রেই ১৪ দিনের হোম আইসলেশনের কথা বলা হচ্ছিল।তবে এবার করোনা বাদে আরও চারি সংক্রমক রোগকে এই মহামারীর তালিকায় যুক্ত করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

এই রোগগুলির মধ্যে যেকোনো একটিতে আক্রান্ত হলেই ব্যাক্তিকে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনের ছুটিতে যেতে হবে।বুধবার এইরকম এক নির্দেশিকা জারি করা হলো রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে।

রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুসারে কোভিড-১৯ ছাড়াও কোনো ব্যাক্তি যদি সার্স (SARS), মার্স (MARS), সিসিএইচএফ (CCHF) ba নোভেল ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1)তে আক্রান্ত হন তাহলে তাকে বাধ্যতামূলক ভাবে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনের ছুটিতে (Quarantine Leave) থাকতে হবে।

আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ থেকে করোনা সংক্রমনের ক্ষেত্রে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন (Quarantine) বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এই নিয়ম মানা হচ্ছিল নবান্নতেও। নবান্নে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ১৪ দিনের কয়ারেন্টাইন ছুটিতে (Quarantine Leave) থাকতে হচ্ছিল।

সংকটের মাঝেই অবশেষে স্বস্তির খবর, করোনামুক্ত পশ্চিমবঙ্গের দুই জেলা

আরও পড়ুন : শরীরে কোন কোন রোগ থাকলে করোনায় মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি

আক্রান্ত ব্যাক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যাক্তিকে কমপক্ষে ৩দিন পৃথক ভাবে থাকার এবং পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কোনও কর্মচারীর পরিবারের কোনও সদস্য করোনা আক্রান্ত হলে সেক্ষেত্রেও ছুটি দেওয়া হতো সেই কর্মীকে।

এবার থেকে শুধু কোভিড ১৯ এর ক্ষেত্রেই নয়, সার্স (SARS), মার্স (MARS), সিসিএইচএফ (CCHF) এবং নোভেল ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) এর ক্ষেত্রেও বলবত হবে এই নিয়মই।

আরও পড়ুন : সর্দি জ্বর আর করোনা জ্বরের পার্থক্য, করোনা জ্বর হয়েছে বুঝবেন কীভাবে

কারণ এই সংক্রমন গুলিও মহামারীর রূপ নিতে পারে। নির্দেশিকা অনুসারে, এই রোগ নিয়ে কাজ করার অর্থ বাকিদের জীবনের সাথে ঝুঁকি নেওয়া, সেই জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হলো।